বিজ্ঞাপন

প্রশাসনের বাঁধার পরেও চলছিল মাটি খনন ও পুকুর ভরাট, বন্ধ করে মামলার প্রস্তুতি

চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রশাসনের বাঁধার পরেও ফসলী কেটে ইটভাটায় বিক্রি ও পুকুর ভরাট করার অপরাধে অভিযান চালিয়ে তা বন্ধ করেছে ভূমি অফিস। বাঁধা দেয়ার পরেও আবারো অবৈধ মাটি খনন ও পুকুর ভরাটের বিরুদ্ধে এবার নিয়মিত মামলা করা হবে বলে জানিয়েছে সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইকরামুল হক নাহিদ।

রবিবার (১৪ জুন) দুপুরে সদর উপজেলার গোবরাতলা ইউনিয়নের নাধাই কৃষ্ণপুর গ্রামে দ্বিতীয় দফায় অভিযান পরিচালনা করে মাটি খনন ও পুকুর ভরাট বন্ধ করা হয়। এ ঘটনায় গোবরাতলা ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তাকে দোষীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়েরের নির্দেশ দিয়েছে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি)।

জানা যায়, কয়েকদিন আগে থেকেই নাধাই কৃষ্ণপুর গ্রামে ফসলী জমি কেটে ইটভাটায় বিক্রি করছিল একটি অসাধু চক্র। স্থানীয়দের দেয়া অভিযোগের ভিত্তিতে তা বন্ধের নির্দেশনা দেয়া হয়। কিছুদিন বন্ধ রাখা হলেও আবারো মাটি খননের কাজ ও একটি দীর্ঘদিনের পুকুর ভরাট শুরু করে অসাধু চক্রটি। দ্বিতীয় দফায় একই অভিযোগ পেলে ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা গিয়ে তা বন্ধ করেছে।

স্থানীয় বাসিন্দা ও কৃষকদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে চক্রটি প্রশাসনের নির্দেশনা উপেক্ষা করে এসব কার্যক্রম পরিচালনা করছে, ফলে কৃষিজমি ও পরিবেশের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। নাধাই কৃষ্ণপুরের বারিকুল, গোবরাতলার মিলন, মজিবুর, মল্লিকপুরের মামুনের নেতৃত্বে এ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছিল। এলাকাবাসীর অভিযোগ, অবাধে মাটি খননের কারণে কৃষিজমির উর্বরতা নষ্ট হচ্ছে এবং পরিবেশের ভারসাম্য বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

গোবরাতলা ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা আলী হোসেন জানান, এর আগেও কয়েক দফায় গিয়ে ফসলী জমি কাটা বন্ধ করা হয়েছিল। আজকে আবার মাটি খনন শুরু করা হয়েছিল। সেখানে গিয়ে আরেকটি পুকুর ভরাটও বন্ধ করা হয়েছে। এবিষয়ে নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইকরামুল হক নাহিদ জানান, এর আগেও একবার একই অভিযোগ পাওয়ার পর তা বন্ধ করা হয়। রবিবার আবারো দ্বিতীয় দফায় অভিযোগ পেলে ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা পাঠিয়ে বন্ধ করা হয়। এছাড়াও এ ঘটনায় নিয়মিত মামলা দায়ের করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : ‎‎‎জয়পুরহাটের পাঁচবিবি সীমান্তে বৃদ্ধকে পুশইনের চেষ্টা

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন