বিজ্ঞাপন

ব্রাজিলের পর কুরাসাওকে ৭ গোল দিলো জার্মানি

প্রথমার্ধেই কুরাসাওয়ের জালে ৩ গোল দিয়েছিল জার্মানি। দ্বিতীয়ার্ধে আরো আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে জার্মানরা। ম্যাচের ৮৮তম মিনিটে কুরাসাওয়ের জালে সপ্তম গোল দেয় তারা। এর আগে বিশ্বকাপে ব্রাজিলকেও ৭ গোল দিয়েছিল তারা।

বিরতির পর মাঠে নেমেই আক্রমণের ধার আরও বাড়িয়েছে জার্মানি। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই কুরাসাওয়ের রক্ষণভাগে চাপ সৃষ্টি করে ইউরোপের দলটি।

ম্যাচের ৫২ মিনিটে ইয়োশুয়া কিমিখের বাড়ানো বল ধরে দুর্দান্ত ফিনিশিংয়ে নিজের নাম স্কোরশিটে তোলেন জামাল মুসিয়ালা। তাঁর গোলে ব্যবধান আরও বাড়ে জার্মানির।

কুরাসাওয়ের রক্ষণ এরপর আর জার্মান আক্রমণের গতি সামলাতে পারেনি। ৬৮ মিনিটে জার্মানির হয়ে পঞ্চম গোলটি করেন লেফটব্যাক নাথানিয়েল ব্রাউন। আক্রমণে উঠে এসে নিখুঁত সমাপ্তিতে দলকে আরও স্বস্তির অবস্থানে নিয়ে যান তিনি।

গোল উৎসব অবশ্য সেখানেই থামেনি। ম্যাচের ৭৮ মিনিটে ডেনিজ উনদাভও যোগ দেন গোলদাতাদের তালিকায়। তাঁর গোলে জার্মানির ব্যবধান দাঁড়ায় ৬–১।

এরপর ম্যাচের শেষ দিকে যেন ফিরে আসে ২০১৪ বিশ্বকাপের সেই স্মৃতি, যখন ব্রাজিলকে ৭–১ গোলে বিধ্বস্ত করেছিল জার্মানি। কুরাসাওয়ের বিপক্ষেও সপ্তম গোলটি আসে জার্মানদের পা থেকেই। এবার জালের দেখা পান কাই হাভার্টজ। ম্যাচে এটি ছিল তাঁর দ্বিতীয় গোল।

একের পর এক আক্রমণে কুরাসাওকে পুরোপুরি কোণঠাসা করে ফেলে জার্মানি। বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচেই নিজেদের শক্তিমত্তার বার্তা দিয়ে বড় জয় তুলে নেওয়ার পথে এগিয়ে যায় চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন: বিশ্বকাপে সুযোগ না পেলে কী করবেন নেইমার, জানালেন নিজেই

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন