জি-৭ সম্মেলনের আগেই জেনেভায় বিক্ষোভ করেছেন হাজারও মানুষ। বিশ্বের ধনী দেশগুলোর জোটকে অগণতান্ত্রিক আখ্যা দিয়ে রাস্তায় নামেন পরিবেশবাদী, নারীবাদী ও ফিলিস্তিনপন্থি কর্মীরা। ট্রাম্পের নীতি, যুদ্ধ, জলবায়ু সংকট এবং বৈশ্বিক বৈষম্যের বিরুদ্ধে ক্ষোভে উত্তাল হয়ে ওঠে সুইজারল্যান্ডের জেনেভা। এসময় পুলিশের সঙ্গেও সংঘর্ষে জড়ান বিক্ষোভকারীরা।
ফ্রান্সের এভিয়ানে শুরু হতে যাওয়া জি-সেভেন সম্মেলনের আগে সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় বিক্ষোভ করেছেন অন্তত ২০ হাজার মানুষ। ‘নো-জি৭’ জোটের ব্যানারে আয়োজিত কর্মসূচিতে ৬০টিরও বেশি সংগঠন অংশ নেয়।
ফিলিস্তিনি অধিকারকর্মী, নারীবাদী গোষ্ঠী এবং পরিবেশবাদী সংগঠনগুলোর দাবি, জি-সেভেনের নীতি বিশ্বজুড়ে বৈষম্য ও অস্থিতিশীলতা বাড়াচ্ছে।
শুরুতে কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ থাকলেও একপর্যায়ে পরিস্থিতি সহিংস রূপ নেয়। পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন বিক্ষোভকারীরা। জাতিসংঘের কার্যালয়ের আশপাশে জড়ো হওয়া আন্দোলনকারীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে বোতল, পাথর ও আতশবাজি নিক্ষেপ করলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। জবাবে পুলিশ টিয়ার গ্যাস ও জলকামান ব্যবহার করে বিক্ষুব্ধ জনতাকে ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কিছু বিক্ষোভকারী জাতিসংঘের টেলিযোগাযোগ ভবনের কার্যালয় লক্ষ্য করে হামলা চালায়। পরে কয়েকটি দোকান ও ব্যাংকের জানালার কাঁচ ভাঙচুর করা হয়। আগুন দেয়া হয় একটি টেসলা গাড়িতেও।
সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ায় শহরের বিভিন্ন এলাকায় মোতায়েন করা হয় অতিরিক্ত নিরাপত্তা বাহিনী।
মূল সম্মেলনস্থল এভিয়ানের কাছাকাছি বিক্ষোভের অনুমতি না দেয়ায় আন্দোলনকারীরা জেনেভাকে বেছে নিয়েছেন বলে জানিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।
আয়োজকদের মুখপাত্র বলেন, ডনাল্ড ট্রাম্পসহ জি-সেভেন নেতাদের নীতিতে তারা উদ্বিগ্ন। এসব দেশের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত বিশ্বজুড়ে যুদ্ধ, জলবায়ু সংকট এবং মানবিক বিপর্যয়কে আরও গভীর করছে।
পড়ুন : ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে প্রস্তুত ইউরোপের ৪ দেশ


