ফিফা বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে আলজেরিয়ার মুখোমুখি হয়েছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। ম্যাচের শুরুর একাদশেই আছেন দলটির প্রাণভোমরা লিওনেল মেসি। আর এই ম্যাচে মাঠে নামার সঙ্গে সঙ্গেই রেকর্ডের পাতায় নাম লিখিয়েছেন এই ফুটবল জাদুকর। ইতিহাসের প্রথম ফুটবলার হিসেবে ষষ্ঠ বিশ্বকাপে মাঠে নামার কীর্তি গড়েছেন তিনি।
এখানেই থামেননি ৩৮ বছর বয়সী এই তারকা ফুটবলার। ম্যাচের মাত্র ১৬তম মিনিটের মাথায় আলজেরিয়ার জালে বল পাঠিয়ে নিজেকে নিয়ে গেলেন অনন্য উচ্চতায় পর্তুগিজ সুপারস্টার ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর পর পাঁচ বিশ্বকাপে গোল করেছেন তিনি।
২০০৬, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২২ সালের বিশ্বকাপে গোল করেছেন মেসি। একমাত্র ২০১০ সালে কোনো গোল করতে পারেননি তিনি।
এছাড়া দেশের জার্সিতে ২০০তম ম্যাচ খেলার এক অনন্য মাইলফলকও স্পর্শ করেছেন লিওনেল মেসি। পর্তুগিজ সুপারস্টার ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো এবং কুয়েতের বাদের আল-মুতাভার পর তৃতীয় ফুটবলার হিসেবে ২০০ আন্তর্জাতিক ম্যাচের মাইলফলক স্পর্শ করলেন তিনি।
ফিফা বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে আলজেরিয়ার মুখোমুখি হয়েছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। ম্যাচের শুরুর একাদশেই আছেন দলটির প্রাণভোমরা লিওনেল মেসি। আর এই ম্যাচে মাঠে নামার সঙ্গে সঙ্গেই রেকর্ডের পাতায় নাম লিখিয়েছেন এই ফুটবল জাদুকর। ইতিহাসের প্রথম ফুটবলার হিসেবে ষষ্ঠ বিশ্বকাপে মাঠে নামার কীর্তি গড়েছেন তিনি।
এছাড়া দেশের জার্সিতে ২০০তম ম্যাচ খেলার এক অনন্য মাইলও স্পর্শ করেছেন লিওনেল মেসি। পর্তুগিজ সুপারস্টার ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো এবং কুয়েতের বাদের আল-মুতাভার পর তৃতীয় ফুটবলার হিসেবে ২০০ আন্তর্জাতিক ম্যাচের মাইলফলক স্পর্শ করলেন তিনি।
২০২২ বিশ্বকাপে ১০ নম্বর জার্সিতে আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ শিরোপা জেতান মেসি। এবারের আসরেও তার নেতৃত্বেই ট্রফি ধরে রাখার মিশনে নামবছে আলবিসেলেস্তেরা। এবারও ১০ নম্বর জার্সিতে খেলতে নেমেছেন মেসি। নিজের ষষ্ঠ বিশ্বকাপে রেকর্ডসংখ্যক পঞ্চমবার এই জার্সি পরে খেলছেন তিনি। এতে তিনি পেছনে ফেলছেন ডিয়েগো ম্যারাডোনাকে। ১৯৮৬ সালের বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়ক চারটি আসরে ১০ নম্বর গায়ে দিয়েছিলেন।
বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলার রেকর্ড ইতোমধ্যে নিজের দখলে রেখেছেন মেসি। ২০০৬, ২০১০, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২২ সাল মিলিয়ে এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপের ইতিহাসে ২৭তম খেলছেন তিনি। এবার সেই সংখ্যাটা নিশ্চিতভাবেই আরও বাড়বে। ধরাছোঁয়ার বাইরে চলে যেতে পারেন তিনি।
অন্যদিকে, ফুটবল বিশ্বকাপে ১৩টি গোল করেছেন মেসি। বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি গোলের রেকর্ড রয়েছে জার্মানির মিরোস্লাভ ক্লোসার। ১৬টি গোল করেছেন তিনি। আর চারটি গোল করলেই বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি গোলের মালিক হবেন তিনি। গ্রুপ পর্বেই আর্জেন্টিনার হয়ে এই রেকর্ড গড়তে পারেন মেসি।
২০০৬, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২২ সালের বিশ্বকাপে গোল করেছেন মেসি। একমাত্র ২০১০ সালে কোনো গোল করতে পারেননি তিনি। এবার যদি মেসি গোল করেন তাহলে দ্বিতীয় ফুটবলার হিসেবে পাঁচ বিশ্বকাপে গোলের নজির গড়বেন তিনি। এই কীর্তি রয়েছে কেবল রোনালদোর। পাঁচটি পৃথক বিশ্বকাপে গোল করেছেন তিনি।
বিশ্বকাপের ইতিহাসে আটটি গোলে অ্যাসিস্ট রয়েছে মেসির। আর্জেন্টিনার হয়ে বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি অ্যাসিস্ট রয়েছে যুগ্মভাবে মেসি ও ম্যারাডোনার দখলে। দু’জনেই আটটি করে গোল করিয়েছেন। এই বিশ্বকাপে আর একটি গোল করালেই ম্যারাডোনাকে ছাপিয়ে যাবেন তিনি। আর দু’টি গোল করালে বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি অ্যাসিস্ট তার নামে লেখা থাকবে।
এখনও পর্যন্ত অধিনায়ক হিসাবে জোড়া ফুটবল বিশ্বকাপ কেউ জিততে পারেননি। মেসি যদি এবার চ্যাম্পিয়ন হতে পারেন, তাহলে অধিনায়ক হিসাবে একমাত্র তিনিই দু’টি বিশ্বকাপ ঘরে তুলবেন। যদি এবার আর্জেন্টিনা ফাইনালে ওঠে তাহলে তিনিই হবেন প্রথম অধিনায়ক যিনি বিশ্বকাপে তিনবার দলকে ফাইনালে তুললেন। এর আগে ২০১৪ ও ২০২২ সালে তার নেতৃত্বেই ফাইনাল খেলেছে আর্জেন্টিনা। একবার জিতেছে তারা। একবার রানার্স-আপ হয়েছে।
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

