২০২৬ বিশ্বকাপের শেষ পর্যায়ে ওঠার লক্ষ্যে যখন বিশ্বের শীর্ষ ফুটবলাররা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছেন, তখন বিশ্বজুড়ে সমর্থকেরাও প্রায় সমানভাবে চেষ্টা করছেন নকআউট পর্বে কে কার মুখোমুখি হবে তা বোঝার জন্য।
মোট ৪৮টি দলের সম্প্রসারিত এই টুর্নামেন্ট, নতুন টাইব্রেকার নিয়ম ও চারটি ভিন্ন টাইমজোনে তিনটি আয়োজক দেশ – সব মিলিয়ে ফুটবলের সবচেয়ে নিবেদিতপ্রাণ সমর্থকদের জন্যও এবারের বিশ্বকাপের সূচি বোঝা কঠিন হয়ে পড়ছে, সাধারণ দর্শকের কথা তো বলাই বাহুল্য।
পরের ধাপগুলোতে শেষ ৩২–এ উঠবে এমন আটটি তৃতীয় স্থানধারী দলকে ঘিরে সম্ভাব্য ৪৯৫টি ম্যাচের হিসাব- নিকাশ রয়েছে, নতুন ফরম্যাটের এমন জটিল অংক বুঝতে হিসাবে গড়বড় করে ফেলতে পারেন কেউ কেউ।
তবে, জটিলতা কমাতে বিবিসি স্পোর্ট একটি প্রেডিক্টর টুল তৈরি করেছে, যা খেলা চলার সময়েই আপডেট হয়ে ফাইনাল পর্যন্ত সম্ভাব্য পুরো সূচি দেখাবে।
তাহলে একটি দল কীভাবে পরবর্তী রাউন্ডে যায় এবং বর্তমান অবস্থায় ড্র হলে কী হবে, কীভাবে তা ফল নির্ধারণে ভূমিকা রাখছে?
চলুন এক নজরে জেনে নিই বিশ্বকাপের পরের রাউন্ডগুলোর সম্ভাব্য হিসাব-নিকাশ কেমন হতে পারে…
কারা পরের রাউন্ডে যাবে এবং কীভাবে?
আগামী আট দিনের মধ্যে বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্ব শেষ হবে। রেকর্ড ৪৮টি দলের মধ্যে ১৬টি দল বাদ পড়বে, যার ফলে বাকি থাকবে ৩২টি দেশ। এই সংখ্যক দল নিয়েই ১৯৯৮ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত বিশ্বকাপ টুর্নামেন্ট শুরু হতো।
১২টি গ্রুপের প্রতিটির শীর্ষ দুইটি দল শেষ ৩২-এ খেলার যোগ্যতা অর্জন করবে।
টুর্নামেন্টের অন্যতম দুই সহ-আয়োজক – মেক্সিকো এবং যুক্তরাষ্ট্র, ইতিমধ্যেই টানা দুটি জয় নিয়ে তাদের জায়গা নিশ্চিত করে ফেলেছে, যা ঘরের মাঠের দর্শকদের টুর্নামেন্টে ধরে রাখার জন্য আয়োজকদের জন্য একটি বড় স্বস্তি।
স্বাভাবিকভাবেই, যে দলের পয়েন্ট সবচেয়ে বেশি থাকবে তারাই গ্রুপের শীর্ষে থাকবে। কিন্তু যখন দুই বা ততোধিক দেশের পয়েন্ট সমান হয়ে যায়, তখনই বিষয়টি জটিল আকার ধারণ করে।
সূত্র : বিবিসি বাংলা


