বাংলাদেশের বিপক্ষে আগামী বছরের মে মাসে একটি টেস্ট খেলবে ইংল্যান্ড। দ্য গার্ডিয়ানের খবর অনুযায়ী, এই টেস্ট দিয়ে ইংল্যান্ড অ্যাশেজ সিরিজের প্রস্তুতি নিবে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে ম্যাচটি হতে পারে লর্ডসে।
খবর যদি সত্য হয়, আগামী বছর বাংলাদেশের বিপক্ষে তিন টেস্ট খেলবে ইংলিশরা। ফেব্রুয়ারিতে আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের দুইটি ম্যাচ খেলতে বাংলাদেশে আসবেন জো রুটরা। এই সিরিজ আগে থেকেই নির্ধারিত। চট্টগ্রাম ও ঢাকায় হতে পারে ম্যাচ। বিসিবি অবশ্য সিলেটেও ম্যাচ আয়োজনের চেষ্টা করবে বলে জানিয়েছে।
এরপর মে মাসে বাংলাদেশ যাবে ইংল্যান্ডে। খেলবে একটি ম্যাচ। এই ম্যাচ দিয়ে দীর্ঘ ১৭ বছরের ইংল্যান্ডের মাটিতে বাংলাদেশের টেস্ট খেলার অচলায়তন ভাঙবে। সবশেষ বাংলাদেশ ২০১০ সালে ইংল্যান্ডে সফর করেছিল। তামিম ইকবাল সেই সফরেই লর্ডসে সেঞ্চুরি করেছিলেন। সেবার দুই টেস্টের একটি লর্ডসে ও অপরটি ম্যানচেস্টারে হয়েছিল।
১৭ বছর পর বাংলাদেশের বিপক্ষে ম্যাচটি কোথায় অনুষ্ঠিত হবে তা নিয়ে একটু ধোঁয়াশা আছে। ইসিবির সঙ্গে আইসিসির চুক্তি অনুযায়ী টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পরবর্তী তিন আসরের ফাইনাল (২০৩১ সাল পর্যন্ত) অনুষ্ঠিত হবে ইংল্যান্ডে। ইসিবির ফাইনালের জন্য প্রথম পছন্দ লর্ডস। এর আগে দুইটি ফাইনালও লর্ডসে হয়েছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে লর্ডসের উইকেট নিয়ে কথা উঠতে শুরু করেছে। এজন্য টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল ওভালে আয়োজনের কথাও চলছে। শর্ত অনুযায়ী, লন্ডনের বাইরে ফাইনাল যেতে পারবে না।
যদি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল ওভালে চলে যায় তাহলে লর্ডসে বাংলাদেশকে আতিথেয়তা দিবে ইংল্যান্ড। লর্ডসের সত্বাধিকারী মেরিলিবোন ক্রিকেট ক্লাবের সাথে ইসিবির চুক্তি অনুযায়ী, প্রতি ইংলিশ গ্রীষ্মে লর্ডস দুটি টেস্ট আয়োজনের সুযোগ পাবে। বাংলাদেশের বিপক্ষে লর্ডসে টেস্ট হলে পরবর্তীতে তারা অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে অ্যাশেজের একটি টেস্ট পাবে। আর যদি ফাইনাল লর্ডসে হয় তাহলে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে অ্যাশেজেই হবে ম্যাচ। সেক্ষেত্রে বাংলাদেশকে খেলতে হবে ওভালে কিংবা অন্য কোথাও।
কিছুদিন আগে ইংল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ডের টেস্ট ১৬৬ ওভারেই শেষ হয়ে যায়। ১৪০ বছরের মধ্যে লর্ডসে সংক্ষিপ্ততম টেস্ট সেটি। ৪০টি আউটের মধ্যে ২৪টিই ছিল বোল্ড এবং এলবিডব্লিউ। আইসিসিও পরে লর্ডসের উইকেটকে অসন্তোষজনক রায় দিয়ে একটি ডিমেরিট পয়েন্ট দেয়।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেট এখনও চালিয়ে যাচ্ছেন মুশফিকুর। ২০০৫ এবং ২০১০, বাংলাদেশ ইংল্যান্ডের মাটিতে দুইবার টেস্ট খেলেছিল। দুইবারই খেলেছেন মুশফিকুর। তার সামনেও ক্যারিয়ার শেষ হওয়ার আগে আরেকবার ইংল্যান্ড কিংবা আরও একবার লর্ডসে টেস্ট খেলার হাতছানি।
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

