বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমানকে দিল্লির বিমানবন্দরে বসিয়ে রাখার ঘটনাকে খুব একটা গুরুত্ব দেয়নি ভারত। মঙ্গলবার (২৩ জুন) সাপ্তাহিক প্রেস ব্রিফিংয়ে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়ালকে প্রশ্ন করা হলে তিনি এ বিষয়ে ভারতের কোনো গাফিলতির কথা জানাননি।
তাকে প্রশ্ন করা হয় যে, গত সপ্তাহে বাংলাদেশের মন্ত্রী পর্যায়ের একজন অফিসিয়াল ইন্ডিয়ান ওশান রিম অ্যাসোসিয়েশনের (আইওআরএ)- বৈঠকে যোগ দিতে এসেছিলেন। কিন্তু তাকে বলা হয় তিনি সার্ক ভিসা নিয়ে এসেছেন। একজন মন্ত্রী পর্যায়ের বিদেশি প্রতিনিধি ভিসা নিয়ে ডিপ্লোমেটিক পাসপোর্ট ছাড়া কী আসতে পারেন না? বিষয়টা নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়িয়েছে। এটা নিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অবস্থান কী?
এমন প্রশ্নের জবাবে দায়সারা উত্তরে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, ‘তিনি (বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা) গত ১৪ জুন এখানে এসেছিলেন ব্যক্তিগত পাসপোর্ট ও সার্ক ভিসা নিয়ে। তিনি ইন্ডিয়ান ওশান রিম অ্যাসোসিয়েশনের (আইওআরএ) শীর্ষ আধিকারিকদের বৈঠকে যোগ দিতে এসেছিলেন। তাকে দিল্লি বিমানবন্দরে অভিবাসন দপ্তরের আধিকারিকরা জিজ্ঞাসাবাদ করেন এবং তার ভারতের আসার উদ্দেশ্য রিম অ্যাসোসিয়েশনের বৈঠকের ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়ার পর তাকে ভারতে প্রবেশের অনুমতিও দেয়া হয়। যদিও সেসময় তিনি ঢাকায় ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।’
একই সঙ্গে গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়িতে একটি মন্দির কমপ্লেক্সের অংশে রামের ৮১ ফুট উঁচু একটি মূর্তি নির্মাণকে কেন্দ্র করে যে বিতর্ক ছড়িয়েছে সেই প্রসঙ্গেও মন্তব্য করেন জয়সওয়াল। তিনি বলেন, ‘আমরা দেখেছি, বাংলাদেশ থেকে কিছু খবর এসেছে, কিছু হিন্দু দেবদেবীর সঙ্গে অপবিত্র ঘটনা ঘটেছে। যার কারণে সেখানে প্রতিবাদ হয়েছে। আমরা আশা করছি, বাংলাদেশের সরকার সেখানকার চরমপন্থি লোকজনের ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করবে এবং সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তার গ্যারান্টি নিশ্চিত করবে।’
পড়ুন : আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ হবে কি-না সেটি নির্ধারিত হবে আদালতে : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা


