বিজ্ঞাপন

পর্তুগালের পাঁচ গোলের জয়ে রোনালদোর ২

পর্তুগালের পাঁচ গোলের জয়ে রোনালদোর ২ গোল। আর তাতেই ইতিহাসের পাতায় স্থান করে নিলেন রোনালদো। বেশ কয়েকবার হ্যাটিট্রিকের কাছাকাছি গিয়েও সফল হতে পারেননি রোনালদো। তারপরও উজবেকিস্তানের সঙ্গে পর্তুগাল গোল উৎসবে মেতে উঠেছিল। ৫ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়লো পর্তুগাল।

বিজ্ঞাপন

৮৭ মিনিটে বক্সের ভেতর ফাঁকায় ডান পায়ের শট রাফায়েল লিয়াওয়ের। বলটা ঘুরতে ঘুরতে উজবেকিস্তানের জালে।

রোনালদো একটু সামনেই দাঁড়িয়ে ছিলেন। তাঁকে না নিয়ে লিয়াও নিজেই ফিনিশ করলেন। দুর্দান্ত ফিনিশ। পর্তুগাল এগিয়ে গেল ৫ গোলে।

৬০ মিনিটে কর্নার থেকে বক্সে জটলার ভেতরে রোনালদো ও উজবেকিস্তান ডিফেন্ডারের গা ছুঁইয়ে বল জালে। উজবেকিস্তানের আত্মঘাতী গোল! গোলকিপার আবদুভোহিদ নেমাতভের আত্মঘাতী গোল। পর্তুগাল আরও গোল করতে চায়! খেলার ধাঁচে সেটাই বোঝা যাচ্ছে। পর্তুগাল এগিয়ে গেল ৪ গোলে।

বিরতির আগেই হ্যাটট্রিক পেতে পারতেন রোনালদো। কিন্তু শেষ মুহূর্তে অল্পের জন্য গোলটি পাওয়া হলো না তাঁর। গোলকিপারের মাথার ওপর দিয়ে রোনালদো বলটা পাঠিয়েই দিয়েছিলেন কিন্তু প্রায় কাছাকাছি জায়গা থেকে বলটি ক্লিয়ার করেন আবদুকদির খুসানভ।

প্রথম ম্যাচের পারফরম্যান্সের কারণে ব্যাপকভাবে সমালোচিত হয়েছিলেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। সেই সমালোচনার জবাব দারুণভাবে দিচ্ছেন তিনি। উজবেকিস্তানের বিপক্ষে বিরতিতে যাওয়ার আগেই জোড়া গোল করেছেন এই মহাতারকা। ম্যাচের ৩৯ মিনিটে ব্রুনো ফার্নান্দেজের পাস থেকে দারুণ ফিনিশিংয়ে করেছেন নিজের দ্বিতীয় ও পতুর্গালের তৃতীয় গোল।

এই গোলে পর্তুগালের হয়ে বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলে সবার ওপরে এখন রোনালদো। ইউসেবিওর ৯ গোল ছাড়িয়ে রোনালদোর গোল এখন ১০।

ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে হতাশাজনক পারফরম্যান্স করেছিলেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। নিজের ছায়া হয়ে ছিলেন তিনি। পর্তুগালের অধিনায়ক দ্বিতীয় ম্যাচে নিজেকে ফিরে পেলেন। উজবেকিস্তানের বিপক্ষে শুরুতেই ঐতিহাসিক গোল পেলেন সিআরসেভেন। তার গোলে এগিয়ে গেল পর্তুগাল।

শুরুতেই সহজ সুযোগ নষ্ট করে পর্তুগাল। ২ মিনিটে বাঁ দিক থেকে ব্রুনো ফার্নান্দেসের উদ্দেশ্যে বক্সে বাড়ানো বল ক্লিয়ার করে দেন উজবেকিস্তানের ডিফেন্ডার। এছাড়া বক্সে দারুণ এক টার্ন নেওয়ার পর পেনাল্টি স্পটের কাছ থেকে নেওয়া তার একটি শট ডিফ্লেক্টেড হয়ে বারের সামান্য ওপর দিয়ে চলে যায়।

পঞ্চম মিনিটে পর্তুগালের দুর্দান্ত একটি আক্রমণে সুযোগ পেয়ে যান রোনালদো। বাঁ দিক থেকে নুনো মেন্দেসের বাড়ানো চমৎকার ক্রস। দূরের পোস্টে ফাঁকা জায়গা পেয়েছিলেন রোনালদো। কিন্তু তিনি ঠিকমতো পা লাগাতে পারেননি বলে।

ষষ্ঠ মিনিটেই ঐতিহাসিক গোল পান রোনালদো। প্রথম পুরুষ ফুটবলার হিসেবে ছয়টি ভিন্ন বিশ্বকাপে গোল করার এক অনন্য কীর্তি গড়েন। উদ্বোধনী ম্যাচে সুযোগ হাতছাড়া করেছিলেন। তবে ৪১ বছর বয়সী এই তারকা এবার কাছের পোস্টে ডিফেন্ডারদের ফাঁকি দিয়ে জায়গা তৈরি করে নেন। এরপর জোয়াও কানসেলোর বাড়ানো নিচু ক্রসটিকে দারুণ শটে পোস্টের নিচের কোণ দিয়ে জালের ঠিকানায় পাঠিয়ে দেন। গ্যালারিতে উপস্থিত দর্শকেরা উল্লাসে ফেটে পড়েন। তারা এক ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী হলেন।

ষষ্ঠ মিনিটে এগিয়ে যাওয়ার পর ১৭ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করে পর্তুগাল। ফ্রি কিক থেকে নুনো মেন্দেস বাঁ পায়ের নিচু শটে স্কোর ২-০ করেন।

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন