ঢাকা জেলা মহিলা দলের অধীন দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলা মহিলা দলের আংশিক পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই সভাপতি, সহ-সভাপতি, সাংগঠনিক সম্পাদকসহ অন্তত ২০ নেত্রীর পদত্যাগের ঘোষণায় স্থানীয় রাজনীতিতে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। কমিটি ঘোষণার পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষোভ, সমালোচনা এবং পদত্যাগের পোস্ট ছড়িয়ে পড়ে।
ঢাকা জেলা মহিলা দলের সভাপতি শামিমা রাহিম ও সাধারণ সম্পাদক সুলতানা খন্দকারের স্বাক্ষরে ৩০ জুন নতুন কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়। কমিটি প্রকাশের কিছুক্ষণের মধ্যেই বিভিন্ন পর্যায়ের নেত্রীরা প্রকাশ্যে কমিটি প্রত্যাখ্যান করে পদত্যাগের ঘোষণা দিতে শুরু করেন।
দোহার উপজেলা মহিলা দলের নবনির্বাচিত সভাপতি মিনু আক্তার, সিনিয়র সহ-সভাপতি রুবিনা রাজ ও সাংগঠনিক সম্পাদক ঝুনু বেগম পদত্যাগের ঘোষণা দেন। একই সঙ্গে দোহার পৌর মহিলা দলের সভাপতি ইয়াসমিন আক্তার, সিনিয়র সহসভাপতি হিমু আক্তার এবং সাংগঠনিক সম্পাদক উর্মী আক্তারও পদ ছাড়ার ঘোষণা দেন।
অন্যদিকে নবাবগঞ্জ উপজেলা মহিলা দলের সভাপতি শাহীনুর আলম, রুমা সুলতানা, সিনিয়র সহসভাপতি জোৎস্না আক্তার, ˆসয়দা রুনা ইসলাম, নিলুফা ইয়াসমিন, সুলভ খানসহ আরও কয়েকজন নেত্রী পৃথকভাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পদত্যাগের ঘোষণা দেন।
বুধবার বিকেলে নবাবগঞ্জ প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে নবাবগঞ্জ উপজেলা মহিলা দলের সভাপতি শাহীনুর আলমসহ নয়জন নেত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে কমিটি প্রত্যাখ্যান করে পদত্যাগের ঘোষণা দেন। অসুস্থতার কারণে সহ-দপ্তর সম্পাদক বীনা আক্তার উপস্থিত থাকতে না পারলেও লিখিত বক্তব্যের মাধ্যমে পদত্যাগের সিদ্ধান্তে একাত্মতা প্রকাশ করেন বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।
দোহার উপজেলা মহিলা দলের সভাপতি মিনু আক্তার অভিযোগ করেন, অর্থের বিনিময়ে ‘পকেট কমিটি’ গঠন করা হয়েছে।
পড়ুন : সিরাজগঞ্জে জার্মান প্রবাসীকে মারপিট, জোরপূর্বক কৃষি জমি দখল করে মাটিভরাট


