বিজ্ঞাপন

পটিয়ায় জলাবদ্ধতায় বন্ধ দুই শতাধিক দোকান, পরিদর্শনে সিআইপি আবুল বশর

টানা বর্ষণ ও অপর্যাপ্ত পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার কারণে চট্টগ্রামের পটিয়া পৌর সদরের কয়েকটি মার্কেটে তীব্র জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সকাল থেকে জলাবদ্ধতার কারণে প্রায় দুই শতাধিক দোকান ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছেন ব্যবসায়ীরা। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ব্যবসায়ী, কর্মচারী ও সাধারণ ক্রেতারা। ব্যবসা বন্ধ থাকায় বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বিজ্ঞাপন

ব্যবসায়ীরা জানান, সামান্য বৃষ্টিতেই পৌর সদরের বিভিন্ন মার্কেটে হাঁটু থেকে কোথাও কোথাও কোমরসমান পানি জমে যায়। অপরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থা, নালা-নর্দমায় জমে থাকা আবর্জনা এবং পানি নিষ্কাশনের কার্যকর ব্যবস্থা না থাকায় বৃষ্টির পানি দীর্ঘ সময় ধরে আটকে থাকে। ফলে দোকানে পানি ঢুকে ব্যবসা পরিচালনা অসম্ভব হয়ে পড়ে।

স্থানীয় ব্যবসায়ী আলমগীর আলম বলেন, “সামান্য বৃষ্টিতেই পৌর সদরের কয়েকটি মার্কেটে হাঁটুসমান পানি জমে যায়। বর্তমানে প্রায় ২০০ দোকান বন্ধ রয়েছে। দ্রুত পানি অপসারণের ব্যবস্থা না করা হলে ব্যবসায়ীরা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়বেন।”

এদিকে, মঙ্গলবার জলাবদ্ধতা কবলিত এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন বিশিষ্ট সমাজসেবক ও সিআইপি আবুল বশর। তিনি পৌর সদরের বিভিন্ন মার্কেট, গলি এবং জলমগ্ন দোকানপাট ঘুরে দেখেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলেন।

পরিদর্শনকালে সিআইপি আবুল বশর বলেন, “ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় অনেক মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। জলাবদ্ধতা নিরসন ও দ্রুত পানি নিষ্কাশনের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলব। ড্রেনেজ ব্যবস্থার স্থায়ী সমাধানে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হবে।”

তিনি আরও জানান, বিষয়টি চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনের সংসদ সদস্য এনামুল হক এনামের নজরে আনা হবে, যাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া যায়।
পরিদর্শনকালে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, ব্যবসায়ী সমিতির নেতৃবৃন্দ এবং সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন। তারা জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধানে প্রশাসনের জরুরি ও কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

পড়ুন : বাংলাদেশিদের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খুলে গেছে : প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী

সা/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন