২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে এক রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ে বেলজিয়ামকে ২-১ গোলে হারিয়ে ১৬ বছর পর সেমিফাইনালে নাম লিখিয়েছে স্পেন। রোমাঞ্চকর এই জয়ের মধ্য দিয়ে ২০১০ সালের পর আবারও বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠার লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে চলেছে স্প্যানিশরা। শেষ চারে তাদের প্রতিপক্ষ বর্তমান রানার্সআপ ফ্রান্স।
ম্যাচের শুরু থেকেই দাপুটে ফুটবল খেলতে থাকে স্পেন।তবে কিছুক্ষণ পরেই সমতায় ফেরে বেলজিয়াম। দ্বিতীয়ার্ধের খেলায় আক্রমণ আর পাল্টা আক্রমণ চললেও পুরো সময়ে গোল আসে একটি। আর সেই গোল করে স্পেন।
প্রথমার্ধের ৩০ মিনিটে ফাবিয়ান রুইজের গোলে এগিয়ে গিয়েছিল স্পেন। দানি ওলমোর একটি দুর্দান্ত আক্রমণ বেলজিয়ামের নিয়মিত গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়া ফিরিয়ে দিলেও বিপদ মুক্ত করতে পারেননি। ফিরতি শটে বল জালে জড়িয়ে স্পেনকে উল্লাসে মাতান ৩০ বছর বয়সী রুইজ।
৩৬ মিনিটে লামিনে ইয়ামালের একটি জোরালো ফ্রি-কিক কোর্তোয়া রুখে দিলে ব্যবধান বাড়াতে পারেনি স্পেন। তবে ম্যাচের ৪০ মিনিটে পুরো স্টেডিয়ামকে স্তব্ধ করে দেয় বেলজিয়াম। ডান প্রান্ত থেকে টিমোথি কাস্তানিয়ের বাড়ানো নিখুঁত এক ক্রস থেকে স্প্যানিশ ডিফেন্ডার পাউ কুবারসিকে ফাঁকি দিয়ে অসাধারণ হেডে জাল খুঁজে নেন চার্লস ডি কেটেলারা।
বিরতির পর বড় দুঃসংবাদ বয়ে আসে বেলজিয়াম শিবিরে। চোট পেয়ে ম্যাচের ৭২ মিনিটে মাঠ ছাড়েন দলের অভিজ্ঞ গোলরক্ষক কোর্তোয়া। মাঠ ছাড়ার সময় তার কান্নার দৃশ্য ছিল হৃদয়বিদারক। কোর্তোয়ার বদলে মাঠে নামা তরুণ গোলরক্ষক সেনে লামেন্স শেষ মুহূর্তে মেরিনোর শটটি ঠিকমতো সামলাতে ব্যর্থ হওয়ার খেসারত দিতে হয় পুরো বেলজিয়াম দলকে।
এই জয়ের ফলে আগামী ১৪ জুলাই ডালাসে সেমিফাইনালের মহারণে ফ্রান্সের মুখোমুখি হবে স্পেন। ২০১০ সালে শিরোপা জেতার দীর্ঘ ১৬ বছর পর আবারও বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্বপ্ন দেখছে স্পেন। অন্যদিকে, দারুণ লড়েও কোর্তোয়ার ইনজুরি ও শেষ মুহূর্তের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিতে হলো বেলজিয়ামকে।
পড়ুন : বন্যা মোকাবিলায় সরকারি কার্যক্রম সমন্বয়ের দায়িত্বে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী
সা/


