বিজ্ঞাপন

মরক্কোর বিদায়ে আবেগাপ্লুত নোরা ফাতেহি

ফিফা বিশ্বকাপে মরক্কোর বিদায়ের পর আবেগ ধরে রাখতে পারেননি বলিউড অভিনেত্রী নোরা ফাতেহি। ফ্রান্সের বিপক্ষে দলের পরাজয়ের পর স্টেডিয়ামের গ্যালারিতে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি। সামাজিকমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, চোখের জল মুছছেন নোরা, আর পাশে থাকা এক বন্ধু তাকে সান্ত্বনা দেওয়ার চেষ্টা করছেন। মরক্কোর লাল জার্সি পরে পুরো ম্যাচজুড়ে গ্যালারি থেকে দলকে উৎসাহ দিতে দেখা যায় এই অভিনেত্রীকে।

বিজ্ঞাপন

চলতি বিশ্বকাপে মরক্কোর প্রায় প্রতিটি ম্যাচেই মাঠে উপস্থিত ছিলেন নোরা ফাতেহি। আফ্রিকান দেশটির প্রতি তার সমর্থন নতুন নয়। মরক্কো বংশোদ্ভূত এই অভিনেত্রী দীর্ঘদিন ধরেই দেশটির ফুটবল দলের প্রতি নিজের ভালোবাসা প্রকাশ করে আসছেন। তাই গুরুত্বপূর্ণ সেমিফাইনাল ম্যাচেও তিনি গ্যালারিতে বসে দলের খেলা উপভোগ করেন।

তবে স্টেডিয়ামে পৌঁছানো সহজ ছিল না। ম্যাচের দিন বস্টনের পথে তীব্র যানজটে আটকে পড়েন নোরা। সময়মতো মাঠে পৌঁছাতে শেষ পর্যন্ত গাড়ি থেকে নেমে কিছুটা পথ হেঁটেই স্টেডিয়ামের দিকে রওনা দেন। নানা ভোগান্তি পেরিয়েও খেলা শুরুর আগেই নিজের নির্ধারিত আসনে পৌঁছাতে সক্ষম হন তিনি।

ম্যাচে শুরু থেকেই শক্তিশালী ফ্রান্সের বিপক্ষে লড়াই করে মরক্কো। তবে শেষ পর্যন্ত কিলিয়ান এমবাপ্পে ও উসমান দেম্বেলের গোলে ২-০ ব্যবধানে হেরে বিশ্বকাপ অভিযান শেষ হয় আফ্রিকার প্রতিনিধিদের। কোয়ার্টার-ফাইনালে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়ে ইতিহাস গড়া মরক্কো সেমিফাইনালে আর চমক দেখাতে পারেনি।

পরাজয়ের পরও দলের প্রতি নিজের গর্বের কথা সামাজিকমাধ্যমে প্রকাশ করেন নোরা ফাতেহি। তিনি অধিনায়ক আশরাফ হাকিমিসহ পুরো দলের লড়াকু মানসিকতা, আত্মত্যাগ ও বিশ্বকাপে তাদের অসাধারণ পারফরম্যান্সের প্রশংসা করেন। তার মতে, শিরোপা জিততে না পারলেও মরক্কো কোটি কোটি সমর্থকের হৃদয় জয় করেছে।

এদিকে, গত এক বছর ধরে মরক্কোর অধিনায়ক আশরাফ হাকিমি ও নোরা ফাতেহির সম্পর্ক নিয়ে বিভিন্ন সময় গুঞ্জন ছড়িয়েছে। তবে ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়ে এখন পর্যন্ত নোরা কিংবা হাকিমি—দুজনের কেউই প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেননি।

পড়ুন:গ্রেপ্তার হওয়ার ঘটনা নিয়ে মুখ খুলেছেন আলোচিত চিত্রনায়িকা পরীমণি

ইমি/ ‎

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন