“তারুণ্যের আশা-আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন করি, আজকের প্রত্যয়ে সুন্দর আগামী গড়ি”—এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে রোববার (১২ জুলাই) দিনাজপুর জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানের আয়োজন করে জেলা প্রশাসন ও জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়, দিনাজপুর।
জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক এটিএম নজমুল হুদার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) এস. এম. হাবিবুল হাসান।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন দিনাজপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তমালিকা পাল, দিনাজপুরের সিভিল সার্জন ডা. মো. গোলাম রসুল রাখি এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মো. রফিকুল আলম। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক (সিসি) ডা. মো. রেজাউল হক। সঞ্চালনা করেন সহকারী পরিচালক মো. জাকিরুল ইসলাম।
আলোচনা সভা শেষে জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের পক্ষ থেকে জেলা পর্যায়ে ১০ জন শ্রেষ্ঠ কর্মী ও প্রতিষ্ঠানকে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। এছাড়া উপজেলা পর্যায়ে চারজন শ্রেষ্ঠ কর্মী এবং চারটি শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠানকে সম্মানিত করা হয়। শ্রেষ্ঠ উপজেলা প্রশাসন হিসেবে হাকিমপুর উপজেলা প্রশাসন সম্মাননা লাভ করে।
সম্মাননাপ্রাপ্তদের পক্ষে বক্তব্য দেন পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক কাহারোল প্রদীপ কুমার রায়, ইউপি চেয়ারম্যান মো. আব্দুল ওহাব, এসএওয়াই, আরএইচআর প্রকল্পের প্রকল্প কর্মকর্তা লুৎফুল বিন ফারুক, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শাহজাহান সিদ্দিক, সাংবাদিক কাশী কুমার দাস এবং হাকিমপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জজ মিত্র চাকমা।
সভাপতির বক্তব্যে এটিএম নজমুল হুদা বলেন, টেকসই উন্নয়ন, উন্নত জীবনযাপন এবং সমাজে শান্তি-শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে প্রজন্মের পর প্রজন্ম ন্যায়বোধ ও নৈতিক মূল্যবোধ ধরে রাখা জরুরি। পাশাপাশি প্রজন্মের মধ্যে সংহতি বজায় রাখা এবং তরুণ-বৃদ্ধ নির্বিশেষে সবার বর্তমান ও ভবিষ্যতের মানবিক অধিকার নিশ্চিত করার মাধ্যমে জীবনের প্রতিটি পর্যায়ে সম্মান ও সুস্বাস্থ্য বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) এস. এম. হাবিবুল হাসান বলেন, বর্তমান বিশ্বে উন্নয়ন ও অগ্রগতির অন্যতম চালিকাশক্তি হলো তরুণ সমাজ। তাদের শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন, কর্মসংস্থান এবং স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রযুক্তিনির্ভর জ্ঞান ও দক্ষতায় তরুণদের সমৃদ্ধ করে তুলতে পারলে তারা দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে। তিনি আরও বলেন, অধিক জনসংখ্যাকে অভিশাপ হিসেবে নয়, বরং যথাযথ পরিকল্পনা ও দক্ষতার মাধ্যমে সম্পদে পরিণত করতে হবে।
পড়ুন: অবশেষে প্রাথমিক বৃত্তির ফল প্রকাশ
আর/


