বিজ্ঞাপন

আবুল খায়ের স্টিল মিলসের পানি ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগে সীতাকুণ্ডে সড়ক অবরোধ, তিন ঘণ্টা পর যান চলাচল স্বাভাবিক

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার শীতলপুর ইউনিয়নের চৌধুরীঘাটা এলাকায় আবুল খায়ের স্টিল মিলসের ছেড়ে দেওয়া পানিতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়ার অভিযোগে এলাকাবাসী কারখানার চলাচলের সড়কে ব্যারিকেড দিয়ে যান চলাচল বন্ধ করে দেন। পরে পুলিশ ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপে ড্রেনেজ ব্যবস্থা উন্নয়নের আশ্বাসের পর প্রায় তিন ঘণ্টা পর অবরোধ প্রত্যাহার করা হয়।

বিজ্ঞাপন

রোববার (১২ জুলাই) সকাল ৮টার দিকে গ্রামবাসী কারখানার প্রবেশ সড়কে ব্যারিকেড দিলে আবুল খায়ের স্টিল মিলসের মালবাহী যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। খবর পেয়ে সীতাকুণ্ড মডেল থানা, ফৌজদারহাট পুলিশ ফাঁড়ি এবং শিল্প পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উভয় পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করেন। পরে বেলা ১১টার দিকে ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন ও পানি নিষ্কাশনের আশ্বাসে গ্রামবাসী ব্যারিকেড তুলে নিলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, আবুল খায়ের স্টিল মিলস কর্তৃপক্ষ হঠাৎ করে কারখানার পানি ছেড়ে দেওয়ায় চৌধুরীঘাটা গ্রামের শতাধিক পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়ে। এতে ঘরে পানি ঢুকে আসবাবপত্র, ফার্নিচার, ফ্রিজ, বইপত্রসহ বিভিন্ন মূল্যবান জিনিসপত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ক্ষতিগ্রস্ত বাসিন্দা মো. সালাউদ্দিন বলেন, “কারখানা কর্তৃপক্ষ কোনো কার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থা না রেখেই পানি ছেড়ে দিয়েছে। এতে পুরো গ্রামে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। আমাদের ঘরে পানি ঢুকে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। প্রতিবাদ করতে গেলে আনসার সদস্যদের দিয়ে ভয়ভীতি দেখানো হয়েছে।”

তবে এ বিষয়ে আবুল খায়ের স্টিল মিলস কর্তৃপক্ষের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

সীতাকুণ্ড মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহিনুল ইসলাম বলেন, জলাবদ্ধতা নিয়ে গ্রামবাসী ও আবুল খায়ের স্টিল মিলস কর্তৃপক্ষের মধ্যে বিরোধের জেরে এলাকাবাসী কারখানার চলাচলের সড়কে ব্যারিকেড দিয়েছিল। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে উভয় পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে। গ্রামে পানি নিষ্কাশনের জন্য প্রয়োজনীয় ড্রেনেজ ব্যবস্থার আশ্বাস দেওয়ার পর সমঝোতার ভিত্তিতে অবরোধ তুলে নেওয়া হয় এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

পড়ুন:হামে মৃত্যু: ড. ইউনূসসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন খারিজ

ইমি/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন