আর্জেন্টিনা ০ : ০ ইংল্যান্ড (হাফটাইম)
আটলান্টায় বিশ্বকাপের শেষ সেমিফাইনালে দুই দলের আক্রমণভাগের কোনো নৈপুণ্য দেখা গেল না। লিওনেল মেসি ও হ্যারি কেইনরা কোনো শট লক্ষ্যে রাখতে পারেননি। আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের ম্যাচের প্রথমার্ধ শেষ হয়েছে গোলশূন্য স্কোরে। প্রথম ৪৫ মিনিটে ছিল ফাউলের ছড়াছড়ি।
হাইড্রেশন ব্রেকের আগেই ১১ ফাউল। আর্জেন্টিনার ৬টির বিপরীতে ইংল্যান্ডের পাঁচ। প্রথমার্ধের পানি পানের বিরতির আগে ম্যাচে শারীরিক লড়াইটাই বেশি হয়েছে। হাফটাইমের আগে বাকি সময়েও একই চিত্র দেখা গেছে। প্রথমার্ধ শেষে দুই দল মোট ১৯টি ফাউল করেছে। এর মধ্যে আর্জেন্টিনা করেছে ১২টি, বাকি সাতটি ইংল্যান্ডের। তবে রেফারি ইসমাইল বেশ সংযত ছিলেন। মাত্র দুইবার হলুদ কার্ড বের করেছেন তিনি, আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের একজন করে সেটা দেখেছেন।
দুই দলের কেউই লক্ষ্যে কোনো শট নিতে পারেনি। এমনকি শট নিতেও দেখা যায়নি কাউকে। দুই দলই একে অন্যের অর্ধে গিয়ে আক্রমণ চালালেও সুবিধা করতে পারেনি। দুই কিপারকেও বড় কোনো পরীক্ষা দিতে হয়নি।
এই সময়ে আর্জেন্টিনা ৫৮ শতাংশ বল দখলে রেখেছিল। তাদের প্রধান তারকা লিওনেল মেসিও ছিলেন নিজের ছায়া হয়ে। পানি পানের বিরতির আগে তার ফ্রি কিক জর্ডান পিকফোর্ড পাঞ্চ করে কর্নার বানান। কর্নারেও শট নেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। এনজো ফার্নান্দেজ পিকফোর্ডকে ফাউল করায় সেটি কাজে লাগেনি।
আর্জেন্টিনা–ইংল্যান্ড সেমিফাইনালের প্রথম ৩৮ মিনিটে খেলার চেয়ে মারামারিই বেশি হচ্ছে। এখন পর্যন্ত দুই দল মিলিয়ে ১৬টি ফাউল করেছে।
এখন পর্যন্ত কৌশলগত দিক থেকে খুব বেশি কিছু দেখা যায়নি। ম্যাচটা বরং লড়াই-সংগ্রামেই সীমাবদ্ধ আছে। ইংল্যান্ড কয়েকবার জায়গা বের করেছে, যদিও বলার মতো কিছু করতে পারেনি তারা। অন্য দিকে আর্জেন্টিনাও এখন পর্যন্ত তেমন কোনো হুমকি তৈরি করতে পারেনি ইংলিশ বক্সে।
ইংল্যান্ডের এলিয়ট অ্যাান্ডারসনকে ফাউল করার ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরুতেই দুই দলের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়। যদিও রেফারির হস্তক্ষেপে ঘটনা বেশিদূর এগোয়নি।
ইংল্যান্ড একাদশে একাধিক পরিবর্তন এসেছে। তিনটি পরিবর্তন এনেছেন কোচ টমাস টুখেল। এজরি কনসা, নিকো ও’রাইলি ও ননি মাদুয়েকের জায়গায় একাদশে এসেছেন রিস জেমস, জেড স্পেনস ও মরগান রজার্স।
বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে একাদশে একটি পরিবর্তন এনেছে আর্জেন্টিনা। সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে খেলা একাদশ থেকে মিডফিল্ডে রদ্রিগো দি পলকে বাদ দিয়ে কোচ লিওনেল স্কালোনি। তাঁর জায়গায় শুরু থেকেই খেলবেন জুলিয়ানো সিমিওনে।


