বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে দ্বিতীয়ার্ধে পিছিয়ে পড়ল আর্জেন্টিনা। অ্যান্থনি গর্ডন ৫৫ মিনিটে তাদের জালে বল ঠেলে দিলেন। ইল্যান্ড এগিয়ে গেল।
ইংলিশ খেলোয়াড়রা ডান দিক থেকে গতি বাড়িয়ে পাল্টা আক্রমণ চালায়। বাম দিক থেকে দ্রুত একটি ক্রস বাড়ানো হয়। আর্জেন্টিনার রক্ষণভাগের খেলোয়াড়রা সময়মতো নিজেদের পজিশন ফিরে পেতে ব্যর্থ হন। সেই সুযোগে গর্ডন ৬ গজ বক্সের প্রান্ত থেকে আলতো টোকায় বল জালে জড়িয়ে দেন।
এর আগে দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে আর্জেন্টাইন কিপারের লম্বা পাসের পর ডান দিক থেকে ডি বক্সে আক্রমণ চালায় বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। সেখানে মেসি ও আলভারেজের দারুণ বোঝাপড়ায় আলভারেজ পোস্টে একটি জোরালো শট নেন।পিকফোর্ড চমৎকারভাবে বাঁচিয়ে দেন। ফিরতি শটটি জালের বাইরের অংশে লাগলেও সেটি সম্ভবত ডিফেন্ডারের গায়ে লেগেছিল এবং রেফারির পক্ষ থেকে কর্নারের সংকেত দেওয়া হয়।
দ্বিতীয়ার্ধের ৫৫ মিনিটে দারুণ এক গোলে লিড নিল ইংল্যান্ড। মরগান রজার্সের ক্রসে দারুণ এক গোলে ইংলিশদের এগিয়ে দিয়েছেন অ্যান্থনি গর্ডন।
বিরতির পর ৪৭ মিনিটে প্রথম সুযোগটা আর্জেন্টিনাই তৈরি করে। যদিও সেই আক্রমণ থেকে গোল আসেনি।
হুলিয়ান আলভারেজকে আর আটকাতে পারেননি জেড স্পেনস। আলভারেজ ডান দিক দিয়ে ঢুকে জর্ডান পিকফোর্ডের কাছের পোস্ট লক্ষ্য করে শট নেন। তবে ইংল্যান্ড গোলরক্ষক ভালো সেভ করে দলকে রক্ষা করেন।
এরপর আবারও চেষ্টা করেন আলভারেজ। তবে এবার তাঁর শট জালে নয়, গিয়ে লাগে সাইড নেটে।
ম্যাচের প্রথমার্ধে গোল পোস্টে একটি শটও কেউ নিতে পারেনি। ১৯৬৬ সালের পর থেকে বিশ্বকাপের ইতিহাসে এটিই প্রথম এমন ঘটনা।


