বিজ্ঞাপন

লেবাননে স্থায়ী সামরিক ঘাঁটি গড়ছে ইসরায়েল

লেবাননের দক্ষিণে নিজেদের সামরিক উপস্থিতি আরও জোরদার করতে নতুন স্থায়ী সামরিক পোস্ট স্থাপন শুরু করেছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। বৃহস্পতিবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ইসরায়েলি দৈনিক মারিভ।

বিজ্ঞাপন

ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) ও মন্ত্রণালয়ের সূত্রের বরাত দিয়ে মারিভের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দক্ষিণ লেবানন অঞ্চলকে নিজেদের স্থায়ী নজরদারির মধ্যে রাখতেই নেওয়া হয়েছে। তবে দক্ষিণ লেবাননের ঠিক কোথায় সেনাপোস্ট স্থাপন করা হচ্ছে— সে ব্যাপারে বিস্তারিত কিছু জানায়নি সূত্রগুলো।

লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহকে নির্মূল করতে গত ২ মার্চ থেকে সেখানে সেনা অভিযান পরিচালনা করছে আইডিএফ। সরকারি হিসেবে চলমান অভিযানের শুরু থেকে এ পর্যন্ত নিহত হয়েছেন ৪ হাজার ১৩৪ জন, আহত হয়েছেন ১২ হাজার ২২৪ জন বাস্তুচ্যুত হয়েছেন কমপক্ষে ১০ লাখ।

এই সংঘাত বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় কয়েক দফা সংলাপ হয়েছে দুই দেশের সরকারি প্রতিনিধির মধ্যে। সর্বশেষ দফার সংলাপ শেষ হয়েছে গত বুধবার, ইতালির রাজধানী রোমে। সেই বৈঠকে দুই দেশের প্রতিনিধিরা দক্ষিণ লেবাননের দুই এলাকা থেকে ইসরায়েলি সেনাদের প্রত্যাহার করতে একটি চুক্তির ফ্রেমওয়ার্ক এবং শর্তাবলী নিয়ে আলোচনাও করেছেন।

তার আগে গত ২৬ জুন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় একটি শান্তি চুক্তি হয়েছিল। সেই চুক্তিতে বলা হয়েছিল, লেবাননের দুই এলাকায় ‘পাইলট’ বা পরীক্ষামূলকভাবে আইডিএফের কয়েকটি সেনা দলের উপস্থিতি থাকবে। বাকি এলাকগুলো থেকে সেনা প্রত্যাহার শুরু হবে এবং ‘পাইলট’ এলাকা থেকে সবার শেষে সেনাদের প্রত্যাহার করে নেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, লেবাননে সামরিক অভিযান ইস্যুতে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর ওপর অসন্তুষ্ট যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প লেবাননে সামরিক অভিযান বন্ধের পক্ষে, কিন্তু নেতানিয়াহু চান অভিযান অব্যাহত থাকুক। সাম্প্রতিক অতীতে এই নিয়ে একাধিকবার নেতানিয়াহুকে কড়া ভাষায় ধমক ও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ট্রাম্প।

মার্কিন প্রশাসন লেবাননে আইডিএফের অভিযান বন্ধের জন্য এখনও ইসরায়েলের ওপর চাপ আছে মার্কিন প্রশাসনের। তবে সেই চাপকে দৃশ্যত ‘পাত্তা’ না দিয়েই দক্ষিণ লেবাননে সেনাঘাঁটি করছে ইসরায়েল।

পড়ুন : বন্যার্তদের পুনর্বাসন পর্যন্ত পাশে থাকবে সরকার: অর্থমন্ত্রী

সা/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন