বিজ্ঞাপন

সাভারে নারীকে ধর্ষণের পর হত্যা: প্রেমিক গ্রেপ্তার, সম্পর্কের টানাপোড়েনের জেরে হত্যার দাবি পিবিআইয়ের

সাভারের বড়দেশী এলাকায় শারমিন আক্তার (৩৯) নামে এক নারীকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যার ঘটনায় তাঁর কথিত প্রেমিক মাসুম ইসলামকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। তদন্ত শেষে পিবিআই জানিয়েছে, তাদের মধ্যে ব্যক্তিগত সম্পর্কের টানাপোড়েনের জেরেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটে।

বিজ্ঞাপন

আজ পিবিআই ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার এম. এন. মোর্শেদ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২ জুলাই সাভারের বড়দেশী এলাকায় ভাড়া বাসায় শারমিন আক্তারকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের বাবা শওকত হোসেন সাভার মডেল থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা করেন।
গত ৮ জুলাই পিবিআই ঢাকা জেলা স্বপ্রণোদিত হয়ে মামলার তদন্তভার গ্রহণ করে। পরে ১৪ জুলাই কুড়িগ্রাম জেলার সীমান্ত এলাকা দিয়ে ভারতে পালানোর সময় হত্যাকাণ্ডে জড়িত মাসুম ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পিবিআই জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মাসুম হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন। পরে তিনি আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
তদন্তে পিবিআই জানতে পারে, মাসুম একটি পরিবহনের লাইনম্যান হিসেবে কাজ করতেন। পাশাপাশি সাভারের কাতলাপুর এলাকায় তাঁর বাবার চায়ের দোকানেও কাজ করতেন। ওই দোকানের পেছনের একটি ভাড়া বাসায় একসময় শারমিন বসবাস করতেন। সেখান থেকেই তাদের পরিচয় এবং পরবর্তীতে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
পরে শারমিন বড়দেশী এলাকায় নতুন বাসায় উঠলেও মাসুম নিয়মিত সেখানে যাতায়াত করতেন। ঘটনার আগের রাতে তাদের মধ্যে মোবাইল ফোনে তীব্র বাকবিতণ্ডা হয়। পরদিন মাসুম শারমিনের বাসায় যান। সেখানে শারীরিক সম্পর্কের পর দুজনের মধ্যে আবারও বিরোধ দেখা দিলে মাসুম শারমিনের ব্যবহৃত ওড়না দিয়ে শ্বাসরোধ করে তাঁকে হত্যা করেন এবং ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান বলে তদন্তে উঠে এসেছে।

পিবিআই ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার এম. এন. মোর্শেদ বলেন, “চাঞ্চল্যকর এ ঘটনার সংবাদ পাওয়ার পরপরই পিবিআই ঢাকা জেলার ক্রাইম সিন টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং ছায়া তদন্ত শুরু করে। পরে স্বপ্রণোদিত হয়ে মামলাটির তদন্তভার গ্রহণ করা হয়। নিরলস তদন্তের মাধ্যমে মাত্র দুই সপ্তাহের মধ্যে ঘটনায় জড়িত আসামিকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে।

পড়ুন:জনপ্রতিনিধিরা মাঠে থাকলে মানুষের সমস্যার দ্রুত সমাধান হয়: ডেপুটি স্পিকার

ইমি/ ‎

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন