বিজ্ঞাপন

সানশাইন’ ক্যাপশনে নতুন লুকে পরীমণি, মেহেদির নকশায় মুগ্ধ ভক্তরা

ঢাকাই চলচ্চিত্রের আলোচিত অভিনেত্রী পরীমণি আবারও সামাজিক মাধ্যমে নিজের নতুন লুকের ছবি প্রকাশ করে ভক্তদের নজর কেড়েছেন। হাতে নান্দনিক মেহেদির নকশা, মুখে প্রশান্তির ছাপ আর মৃদু রোদের স্পর্শ—সব মিলিয়ে তার নতুন ছবিগুলো মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক মাধ্যমে। ফেসবুকে শেয়ার করা তিনটি ক্লোজ-আপ ছবির সঙ্গে তিনি লিখেছেন মাত্র একটি শব্দ, ‘সানশাইন’। সংক্ষিপ্ত এই ক্যাপশনই ভক্তদের কৌতূহল আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

বিজ্ঞাপন

ছবিগুলোতে দেখা যায়, শান্ত ও মনোরম পরিবেশে ক্যামেরাবন্দি হয়েছেন পরীমণি। আধবোজা চোখ, স্বাভাবিক অভিব্যক্তি এবং মুখে সূর্যের কোমল আলো যেন ছবিগুলোতে আলাদা এক আবহ তৈরি করেছে। তার হাতে আঁকা সূক্ষ্ম মেহেদির নকশা ছবির অন্যতম আকর্ষণ হয়ে উঠেছে। পাশাপাশি কমলা-খয়েরি প্রিন্টের পোশাকে অভিনেত্রীকে বেশ স্নিগ্ধ ও স্বাভাবিক লাগছে।

ছবি প্রকাশের পরপরই ভক্ত-অনুরাগীদের মন্তব্যে ভরে যায় পোস্টটির কমেন্ট বক্স। অনেকেই তার সৌন্দর্যের প্রশংসা করেছেন, কেউ লিখেছেন ‘অসাধারণ’, আবার কেউ বলেছেন ‘প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অন্য নাম পরীমণি’। তবে বেশির ভাগ ভক্তের আগ্রহ ছিল তার হাতে থাকা মেহেদির নকশা নিয়ে। অনেকেই জানতে চেয়েছেন, কে এত সুন্দর করে মেহেদি এঁকেছেন।

ব্যক্তিগত জীবন ও ক্যারিয়ার—দুই ক্ষেত্রেই পরীমণি নিয়মিত আলোচনায় থাকেন। সাম্প্রতিক সময়ে অভিনয়ের চেয়ে নিজের ব্যক্তিগত জীবন এবং সন্তানদের নিয়ে বেশি সময় কাটাচ্ছেন তিনি। বিভিন্ন সময় সামাজিক মাধ্যমে সন্তানদের সঙ্গে কাটানো মুহূর্ত কিংবা নিজের দৈনন্দিন জীবনের নানা ছবি ও অনুভূতি ভক্তদের সঙ্গে ভাগ করে নেন।

নতুন কোনো সিনেমা বা ওয়েব প্রজেক্টের ঘোষণা না থাকলেও সামাজিক মাধ্যমে তার প্রতিটি পোস্টই ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি করে। এবারও ব্যতিক্রম হয়নি। ‘সানশাইন’ ক্যাপশনের এই ছবিগুলোতে তার স্নিগ্ধ উপস্থিতি এবং হাতে মেহেদির নান্দনিক নকশা সামাজিক মাধ্যমে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। কাজের ব্যস্ততা থেকে কিছুটা দূরে থাকলেও নিজের স্টাইল, সৌন্দর্য এবং স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতির মাধ্যমে পরীমণি যে এখনো ভক্তদের আগ্রহের কেন্দ্রে রয়েছেন, সেটিই আরও একবার প্রমাণ হলো।

পড়ুন:বিতর্কের পর দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন, জোড়া গোল নেইমারের

ইমি/ ‎

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন