গত ১৭/০৬/২০২৬ তারিখে নাগরিক অনলাইনে প্রকাশিত বোদায় ইউএনও’র বিরুদ্ধে প্রায় অর্ধকোটি টাকার ঠিকাদারী করার অভিযোগ- শিরোনামের নিউজটির প্রতিবাদ জানিয়েছেন ইউএনও মো. রবিউল ইসলাম। তিনি লিখিত প্রতিবাদে বলেন, সংবাদে বলা হয়েছে বোদা উপজেলায় উন্নয়নমূলক কাজের টেন্ডার না দিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার নিজেই কাজ করেছেন। ভুয়া বিল বাউচার দিয়ে ১ কোটি ৪১ লাখ ৬৩ হাজার টাকা উত্তোলন করা হয়েছে। প্রকৃতপক্ষে বোদা উপজেলার সকল উন্নয়নমূলক কাজ সরকারের প্রচলিত আইন ও বিধি বিধান মেনেই সম্পন্ন হয়েছে।
প্রতিবাদে আরও বলা হয়েছে, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় বিভাগের উপজেলা ২ শাখার ০১/০৬/২০২৬ তারিখ ও ৯৭৩ নং স্মারকের পত্র অনুযায়ী চলতি ২৫-২৬ অর্থ বছরের উপজেলা উন্নয়ন সহায়তা খাতের বরাদ্দকৃত টাকা আরএফকিউ বা অন্য কোন উপযুক্ত পদ্ধতি অবলম্বন করে ক্রয় কাজ সম্পাদন করার জন্য অনুরোধ করা হয়। সংবাদে উল্লেখিত অর্ধ কোটি বা ৫০ লক্ষ টাকা উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয় , বোদা, পঞ্চগড় থেকে ইজিপি সিস্টেমে উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতি (দরপত্র বিজ্ঞপ্তি নং-০৭/২০২৫-২০২৬, তারিখ ২৪/০৫/২০২৬) এবং উপজেলা পরিষদ উন্নয়ন তহবিল নির্দেশিকা অনুযায়ী প্রকল্প কমিটির মাধ্যমে সম্পন্ন করা হয়েছে। বোদা উপজেলা পরিষদের মে ২০২৬ মাসের সাধারণ সভায় প্রকল্প তালিকা ও প্রকল্প কমিটি অনুমোদন করা হয়।
প্রতিবাদে আরও বলা হয়েছে, সংবাদের শিরোনামে অর্ধ কোটি (৫০ লক্ষ) লেখা থাকলেও ভিতরের অংশে ১ কোটি ৪১ লাখ ৬৩ হাজার টাকা ভুয়া বিল ভাউচার দিয়ে উত্তোলনের কথা বলা হয়েছে। প্রকাশিত সংবাদের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সংবাদ প্রতিনিধি কোনো বক্তব্য গ্রহণ করেননি।
প্রতিবেদকের বক্তব্য
বোদা উপজেলায় উন্নয়নমূলক কাজের টেন্ডার না দিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার নিজেই কাজ করেছেন। প্রকৃতপক্ষে বোদা উপজেলার সকল উন্নয়নমূলক কাজ সরকারের প্রচলিত আইন ও বিধি বিধান মেনেই সম্পন্ন হয় নাই। ইউএনও তার প্রতিবাদে জানায়, তিনি ইজিপি টেন্ডার করেছেন, কিন্তু তার প্রতিবাদে কোথাও ইজিপি, আরএফকিউ টেন্ডারের আইডি বা ঠিকাদারের নাম উল্লেখ করেন নাই। তাছাড়া উপজেলা ইঞ্জিনিয়ার জগবন্ধু রায় জানিয়েছেন, তিনি কিছুই জানেন না। সংবাদে শ্রমিকদের বক্তব্য দেওয়া হয়েছে, শ্রমিকদের হাজিরা উপজেলা অফিসের এও প্রদান করেন।
পড়ুন : মেহেরপুরে গিয়াস মিষ্টান্ন ভান্ডারে অভিযান, ৩০ হাজার টাকা জরিমানা


