বিজ্ঞাপন

মনোহরদীতে জমি-সংক্রান্ত বিরোধে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার মৃত্যু

নরসিংদীর মনোহরদীতে জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে লাঠির আঘাতে মিজান মিয়া (৪৫) নামে এক স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (১ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার বড়চাপা পূর্বপাড়া গ্রামে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে।

বিজ্ঞাপন

ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন মনোহরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর বাদশা। তিনি বলেন, “চাচা-ভাতিজার জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। তাদের রাজনৈতিক সম্পর্কের বিষয়টি জানি না। তবে নিহত মিজান প্রবাসফেরত। তিনি স্থানীয় বাজারের একজন মুদি দোকানি। দুপুরে মরদেহের সুরতহাল করে নরসিংদী সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।”

স্থানীয়রা জানান, শনিবার দুপুরে জমির সীমানায় থাকা একটি নারিকেল গাছ কাটা নিয়ে বিরোধের একপর্যায়ে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতা শহীদুল্লাহর ছেলে জীবন মিয়া (৩০) কুড়াল দিয়ে মিজানের মাথায় আঘাত করেন। এতে গুরুতর আহত অবস্থায় মিজানকে মনোহরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত মিজান মিয়া বড়চাপা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বড়চাপা পূর্বপাড়ার সফুর উদ্দিনের ছেলে। এ ছাড়া তিনি ৪ নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের সহসভাপতি। আর অভিযুক্ত জীবন মিয়া একই ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহসভাপতি শহীদুল্লাহর ছেলে। সম্পর্কে তারা চাচা-ভাতিজা।

নিহতের স্বজনরা জানান, নিহত মিজান ও তার চাচা শহীদুল্লাহর বাড়ির পাশের একটি রাস্তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে একাধিকবার সালিস হলেও শহীদুল্লাহ তা মেনে নেননি। শনিবার দুপুরে রাস্তায় থাকা একটি গাছ মিজান কাটতে গেলে উভয় পক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়। এসময় জীবন মিয়ার কুড়ালের আঘাতে মিজানের মৃত্যুহয়।

মনোহরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডা. খন্দকার আনিসুর রহমান বলেন, “দুপুরে মিজানকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছে। পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে তাকে মৃত ঘোষণা করেছি। পুলিশ ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ নরসিংদী সদর হাসপাতালে নিয়ে গেছে।

পড়ুন:প্রতিমন্ত্রীর ভিডিও ভাইরাল ইস্যুতে পঞ্চগড়ে সনাতনীদের বিক্ষোভ ও সংবাদ সম্মেলন

ইমি/ ‎

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন