বিজ্ঞাপন

প্রিমিয়ার ব্যাংকের সাবেক ডিএমডির ৪,৬১৩ কোটি টাকা আত্মসাত, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও দুদকে অভিযোগ

ভুয়া বিল ও ঋণের নামে প্রায় ৪ হাজার ৬১৩ কোটি টাকা আত্মসাৎ এবং আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে প্রিমিয়ার ব্যাংক পিএলসির চাকরিচ্যুত উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শহীদ হাসান মল্লিকের বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদকে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়েছে।

অভিযোগে বলা হয়, শহীদ হাসান মল্লিক নারায়ণগঞ্জ শাখার তৎকালীন প্রধান ও দীর্ঘদিনের ব্যবস্থাপক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেন সংক্রান্ত নির্দেশিকা-জিএফইটি এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের ফরেন এক্সচেঞ্জ পলিসি ডিপার্টমেন্টের নির্দেশনা ধারাবাহিকভাবে লঙ্ঘন করেন।

ব্যাংকের ইন্টারনাল কন্ট্রোল অ্যান্ড কমপ্লায়েন্স ডিভিশন-আইসিসিডির বিশেষ পরিদর্শনে তার বিরুদ্ধে যথাযথ অনুমোদন ছাড়া BTB LC/ABP এবং FDBP সীমা সৃষ্টি, দলিলপত্র জালকরণ, কোর ব্যাংকিং সিস্টেম-CBS বিকৃতকরণ, গ্রাহকদের প্রকৃত দায় গোপন, BBOIMS-এ ভুল তথ্য উপস্থাপন এবং প্রতারণামূলক উপায়ে অর্থ অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার প্রমাণ পাওয়া যায়।

আইসিসিডির ২৬.০৬.২০২৩ তারিখের প্রতিবেদন ও ৩১.০৭.২০২৪ তারিখের বিভাগীয় তদন্ত প্রতিবেদনে এসব অনিয়ম প্রমাণিত হয়। তদন্ত কমিটি তাকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দিলেও অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাকে “বড় ধরনের শাস্তি”-র আওতায় আনা হয়।

ব্যাংক কর্তৃপক্ষের পর্যালোচনায় দেখা যায়, তার কর্মকাণ্ডের ফলে ব্যাংক আনুমানিক ৪,৬১৩.৫৩ কোটি টাকা আর্থিক ঝুঁকির সম্মুখীন হয়।

ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১২.০২.২০২৪ তারিখ থেকে তাকে প্রিমিয়ার ব্যাংক পিএলসির চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়।

অভিযোগপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়, ব্যাংকে চাকরিকালীন সময়ে তার কর্মকাণ্ড, অবহেলা ও অসদাচরণের কারণে ব্যাংকের যে আর্থিক ক্ষতি হয়েছে তা রাষ্ট্রীয় ক্ষতির আওতায়ও পড়ে।

এ কারণে অভিযোগকারীরা তার বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক আইনানুগ ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও দুদকের কাছে লিখিত আবেদন জমা দিয়েছেন।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : ডিএফপির সাবেক ডিজি ফ্যাসিস্ট দোসর লিয়াকত আলী খানের শাস্তির দাবিতে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয় ও দুদকে আবেদন

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন