বিজ্ঞাপন

টানা পঞ্চমবার পোশাক রপ্তানিতে দ্বিতীয় বাংলাদেশ

গ্যাস-বিদ্যুতের সংকট, শ্রমিক অসন্তোষ, কিংবা ব্যাংকিং জটিলতার সাথে যোগ হওয়া যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টা শুল্ক নিয়ে অস্থিরতা—এসব কিছু মিলিয়ে গেল বছরটা ছিল দেশের শিল্পখাতে এক অনিশ্চয়তার অধ্যায়। এত কিছুর পরেও স্বস্তি মিলছে ডবলিউটিওর তথ্যে। সংস্থাটির ওয়ার্ল্ড ট্রেড স্ট্যাটিস্টিক্যাল রিভিউ ২০২৫ প্রতিবেদনে দেখা যায়, টানা পঞ্চমবারের মতো পোশাক রপ্তানিতে দ্বিতীয় বাংলাদেশ।

বিজ্ঞাপন

বিজিএমইএর সাবেক পরিচালক মহিউদ্দিন রুবেল বলেন, চীনের এই শেয়ারটা আসলে এতটা ম্যাসিভ যে, এখানে অন্যরা সেই অনুপাতে গ্রো করতে পারেনি। এই গ্রো করতে না পারার কারণে আমরা বলছি যে, দ্বিতীয় স্থানে আছি। দ্বিতীয় আর প্রথমের যে তফাত বা পার্থক্য তো ৩৮ আর ১৫৭ বা ১৫৫।

ডবলিউটিওর তথ্য বলছে, গেল বছর বাংলাদেশ রপ্তানি করেছে ৩৮.৮২ বিলিয়ন ডলারের তৈরি পোশাক, যার নিকটতম প্রতিযোগী ভিয়েতনামের চেয়ে প্রায় ২ বিলিয়ন ডলার বেশি। যদিও বছর ব্যবধানে কমেছে বিশ্ববাজারের হিসাব, সেই সাথে বাংলাদেশের যেখানে রপ্তানি বেড়েছে এক শতাংশের মতো সেখানে ভিয়েতনামের প্রায় ১১ শতাংশ।

অর্থনীতিবিদ মাহফুজ কবির বলেন, ভিয়েতনাম কিন্তু খুব দ্রুত এগিয়ে আসছে। আবার এদিকে ভারত, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা আছে—এরাই তো মূল প্লেয়ার। কম্বোডিয়াও আস্তে আস্তে এগিয়ে আসছে। তার মানে হলো যে, বাংলাদেশের অবস্থান এখন দ্বিতীয়, এটিকে ধরে রাখতে হবে আরও বেশ কিছুদিন। অন্তত এই জায়গাটা যেন কেউ না নিয়ে যায় এবং আরও দ্রুত আগোতে হবে। সে ক্ষেত্রে আমাদের অটোমেশনটা দরকার।

মহিউদ্দিন রুবেল বলেন, বাংলাদেশের যে ৩৮ বা ভিয়েতনামের ৩৭, এইযে বাকি যে ব্যবসা আছে, এখানেও কিন্তু কম-বেশি সবই আসলে চায়না থেকেই আসছে, শ্রমটা বাধে।

বছর ব্যবধানে রপ্তানি কমলেও বরাবরের মতই তৈরি পোশাকে এখনো শীর্ষ অবস্থানে চীন চতুর্থ স্থানে ভারত ও পঞ্চম তুরস্ক।

পড়ুন : আজ সংবিধান সংশোধন বিশেষ কমিটির প্রথম বৈঠক

সা/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন