বিজ্ঞাপন

ভূমিকম্পে লণ্ডভণ্ড কলম্বিয়া, নিহত ১১১

কলম্বিয়ার পশ্চিমাঞ্চল ও পার্শ্ববর্তী কয়েকটি দেশে ৭.৪ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে অন্তত ১১১ জন নিহত ও বহু ভবন ধসে পড়ার খবর পাওয়া গেছে। ভূমিকম্পের পর সম্ভাব্য ঝুঁকি এড়াতে দুই দেশের ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলো থেকে বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। খবর আল জাজিরার।

ইউনাইটেড স্টেটস জিওলজিক্যাল সার্ভে (ইউএসজিএস) এবং কলম্বিয়ার ভূতাত্ত্বিক গবেষণা সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, সোমবার (১০ আগস্ট) দেশটির রাজধানী বোগোতা থেকে প্রায় ৪০০ কিলোমিটার পশ্চিমে চোকো অঞ্চলের সান হোসে দেল পালমার পৌরসভার কাছে এই ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। কলম্বিয়ার স্থানীয় সংস্থাটি প্রাথমিকপর্যায়ে ভূকম্পনের মাত্রা ৬.৬ বলে জানিয়েছিল।

ইউএসজিএস জানিয়েছে, ভূগর্ভের প্রায় ১০৭ কিলোমিটার গভীরে ভূমিকম্পটির উৎপত্তি হয়। যুক্তরাষ্ট্রের সুনামি সতর্কীকরণ কেন্দ্র নিশ্চিত করেছে, এ ঘটনায় সুনামির কোনও আশঙ্কা নেই।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ চোকোর গভর্নর নুবিয়া কর্ডোবা লিখেছেন, আমরা মাত্রই চোকো বিভাগে এক শক্তিশালী ভূমিকম্পের মুখোমুখি হয়েছি। আফটারশক নিয়ে আমরা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। যদিও ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল সান হোসে দেল পালমারের কাছে ছিল, তবে প্রাদেশিক রাজধানী কিবদোতেও কয়েকজন আহত হয়েছেন এবং বেশ কিছু ভবনের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। আমরা ইতোমধ্যেই ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ খতিয়ে দেখছি।

বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিনিধিরা জানান, ভূমিকম্পের সময় রাজধানী বোগোতায় আতঙ্কে লোকজন তড়িঘড়ি করে ভবন ছেড়ে খোলা রাস্তায় বেরিয়ে আসেন। পাশাপাশি বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের ভিডিও ফুটেজে দেশটির অন্যান্য স্থানে বেশ কিছু ভবন ধসে পড়তে দেখা গেছে।

এর আগে গত জুনের শেষভাগে পার্শ্ববর্তী ভেনেজুয়েলায় দুটি ভয়াবহ ভূমিকম্প আঘাত হেনেছিল। শক্তিশালী ওই জোড়া ভূমিকম্পে ৬ হাজারের বেশি মানুষের প্রাণহানি ঘটে এবং শত শত ভবন ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : ভারতে ফের ছাত্রআন্দোলন, উত্তাল ঝাড়খণ্ড

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন