বিজ্ঞাপন

মন্ত্রিসভায় কি আসলেই রদবদল হচ্ছে?

শেষ হচ্ছে বিএনপি সরকারের প্রথম ছয় মাস। আগামী ১৭ আগস্ট বর্তমান সরকারের ছয় মাস পূর্ণ হওয়ার আগে ১৮০ দিনের কর্মসূচি ও মন্ত্রীদের কর্মদক্ষতা মূল্যায়ন চলছে। এর মধ্যেই মন্ত্রিসভায় সীমিত পরিসরে সম্প্রসারণের আলোচনা সামনে এসেছে।

বিএনপির একাধিক সূত্র বলছে, বর্তমান মন্ত্রিসভায় বড় ধরনের রদবদলের সম্ভাবনা কম। তবে সরকারের কাজের গতি বাড়ানো এবং একাধিক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা মন্ত্রীদের চাপ কমাতে নতুন কয়েকজনকে দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে।

সরকারের দায়িত্বশীল একটি সূত্রের দাবি, প্রথম ধাপে মন্ত্রিসভায় বড় ধরনের পরিবর্তন না এনে নতুন চারজনকে যুক্ত করা হতে পারে। এ প্রক্রিয়া বাস্তবায়নের পুরো এখতিয়ার প্রধানমন্ত্রীর। তিনি প্রয়োজন মনে করলে যেকোনো সময় এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করতে পারেন।

আলোচনায় থাকা সম্ভাব্য চারজন হলেন—মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে সেলিমা রহমান এমপি, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ে আন্দালিব রহমান পার্থ এমপি, কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শহিদুল ইসলাম বাবুল এমপি এবং ধর্ম প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শামীম কায়সার লিংকন এমপি।

সরকারের শুরুতে তুলনামূলক বড় পরিসরে মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব বণ্টন করা হলেও কয়েকজন মন্ত্রীকে একাধিক মন্ত্রণালয় বা বিভাগের দায়িত্ব দেওয়া হয়। অর্থ ও পরিকল্পনা, মহিলা ও শিশু বিষয়ক ও সমাজকল্যাণ, শিল্প-বাণিজ্য-বস্ত্র ও পাট, কৃষি-মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং সড়ক-রেল-নৌপরিবহনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে একাধিক দায়িত্ব রয়েছে।

এ অবস্থায় প্রশাসনিক চাপ কমানো ও নীতিনির্ধারণে আরও মনোযোগ দেওয়ার জন্য নতুন মুখ যুক্ত করার বিষয়টি আলোচনায় এসেছে। সরকারের দায়িত্বশীল সূত্র বলছে, কাউকে সরিয়ে দেওয়ার মতো পরিস্থিতি এখনো তৈরি হয়নি। বরং ১৮০ দিনের কর্মসূচির মূল্যায়নের পর কোথায় ঘাটতি রয়েছে, তা চিহ্নিত করে প্রয়োজন অনুযায়ী দায়িত্ব পুনর্বণ্টনের বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।

অর্থাৎ আপাতত মন্ত্রিসভায় বড় ধরনের ‘রদবদল’ নয়, বরং সীমিত পরিসরে ‘অ্যাডজাস্টমেন্ট’ হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।

বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের দায়িত্বে রয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও মন্ত্রিসভায় ২৫ জন পূর্ণমন্ত্রী ও ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে উপদেষ্টা ও বিশেষ সহকারীরাও দায়িত্ব পালন করছেন।

মন্ত্রিসভার পরিবর্তন প্রসঙ্গে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, ১৮০ দিনের কর্মসূচির মূল্যায়ন হবে। ভবিষ্যতে মন্ত্রিসভায় কোনো পরিবর্তনের প্রয়োজন মনে করলে প্রধানমন্ত্রী নিজস্ব বিবেচনায় সিদ্ধান্ত নেবেন।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : নিউরোসায়েন্স হাসপাতালের নতুন ভবন উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন