পঞ্চগড়ের টুনিরহাট ভাউলাগঞ্জ-দেবীগঞ্জ সড়কের বিভিন্ন স্থানে পিচ ও খোয়া উঠে এখন করুণ দশা। হাঁটু পরিমাণ গর্তের সৃষ্টি হয়ে দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে।এ কারণে যাত্রী ও যানবাহন চালকদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। অনেক ঝুঁকি নিয়ে ছোটবড় যানবাহন চলাচল করছে সড়কটিতে। এদিকে খানাখন্দের কারণ হিসেবে ভারী যানবাহনকে দোষারোপ করছে কর্তৃপক্ষ।
স্থানীয়রা জানান,পঞ্চগড় টুনিরহাট, কালিয়াগঞ্জ থেকে ভাউলাগঞ্জ দেবীগঞ্জ সড়কে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ ও শত শত যানবাহন চলাচল করছে। এছাড়া বিভিন্ন পণ্যসামগ্রী আনা-নেওয়ার ক্ষেত্রে এ সড়ক ব্যবহার করা হয়। কিন্তু সড়কটি সংস্কার না করায় পিচ ও খোয়া উঠে গিয়ে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এসব গর্ত পাড় হয়ে যানবাহন চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। অনেক সময় সড়কে গাড়ি বিকল হয়ে ঘটছে সড়ক দুর্ঘটনা।
সরে-জমিনে দেখা যায়,পঞ্চগড় টুনিরহাট, কালিয়াগঞ্জ থেকে ভাউলাগঞ্জ, দেবীগঞ্জ সড়ক,ব্যারিস্টার বাজার থেকে কাজীপাড়া,পঞ্চগড়-তেঁতুলিয়া মহাসড়কের কাকপাড়াহাট জিসি এক কিলোমিটার,হাফিজাবাদ তালমা হয়ে আম কাঁঠাল,পঞ্চগড় পৌর শহরের বানিয়াপাড়া। এছাড়াও একাধিক সড়কে পিচ ও খোয়া উঠে গিয়ে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে।
সিএনজি চালক আমিনার রহমান জানান, সড়কটির সংস্কার কাজ হয়। যেনতেন ভাবে কাজ শেষ করায় কয়েকদিন পরেই পিচ উঠা শুরু করে। আর কিছুদিন পর খানাখন্দে ভরে যায় সড়কটি। এখন হাঁটু পানি। প্রায় সময় ঘটছে ছোটবড় দুর্ঘটনা।
পিকআপ চালক শরিফুল ইসলাম জানান, শত শত গাড়ি এ রাস্তা দিয়ে চলাচল করে। কিন্তু এত গুরুত্বপর্ণ সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে মেরামত না করায় এখন সাধারণ মানুষ ও আমাদের কষ্ট করতে হচ্ছে।রাস্তাটির এমন অবস্থা গাড়ি পার করতে যেকোন সময় পাল্টি খেয়ে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর এলজিইডি পঞ্চগড়ের নির্বাহী প্রকৌশলী মো.সফিউল আলম বলেন,আমরা চলতি অর্থ বছরে রাস্তা সংস্কারের জন্য ৫২ কিলোমিটারের বরাদ্দ পেয়েছি। গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাগুলোর কাজ আগে করা হবে।
শহরের বানিয়া পাড়া সড়কটি আরসিসি করার কাজ প্রক্রিয়াধীন।ভাউলাগঞ্জ সড়কটির দামড়াদিঘীর ভাঙ্গার ওই অংশটুকু আরসিসি করার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ চেয়ে সংশ্লিষ্ট দফতরে চিঠি পাঠানো হয়েছে। অর্থ বরাদ্দ পেলেই সড়কটি সংস্কার করা হবে।
পড়ুন : চট্টগ্রামে বকেয়া বেতনের দাবিতে পোশাক শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ
সা/


