বিজ্ঞাপন

খুলনায় একই স্থানে গুলিতে ২ যুবক নিহত

খুলনা নগরীর লবণচরা থানাধীন আশিবিঘা কালভার্ট সংলগ্ন এলাকায় অল্প সময়ের ব্যবধানে দুর্বৃত্তদের গুলিতে দুই যুবক নিহত হয়েছেন।

বুধবার (১৯ আগস্ট) সন্ধ্যায় পৃথকভাবে এ দুটি গুলির ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন আশিবিঘা এলাকার খোকন সানার ছেলে মঞ্জু এবং ১৮ বছর বয়সী নাজমুল। নাজমুলের বাবার নাম মনির শেখ।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার সন্ধ্যায় আশিবিঘা কালভার্ট এলাকায় আড্ডা দিতে যাওয়ার সময় মঞ্জুকে লক্ষ্য করে ৮ থেকে ১০ জন দুর্বৃত্ত কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়ে। এতে মঞ্জুর শরীরে দুটি গুলি লাগে। পরে স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত মঞ্জু পেশায় স্যানিটারি মিস্ত্রি ছিলেন। তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় উত্তেজনা ও আতঙ্ক দেখা দেয়।

এর কিছুক্ষণ পর একই এলাকায় আবারও গুলির ঘটনা ঘটে। এবার ১৮ বছর বয়সী নাজমুলকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে দুর্বৃত্তরা। এতে নাজমুল নিহত হন বলে স্থানীয়রা জানান।

একই এলাকায় অল্প সময়ের ব্যবধানে পরপর দুই যুবক গুলিতে নিহত হওয়ার ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সন্ধ্যার পর প্রয়োজন ছাড়া অনেকেই ঘর থেকে বের হতে ভয় পাচ্ছেন।

পরপর দুটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় কে বা কারা জড়িত এবং কী কারণে তাদের হত্যা করা হয়েছে, তা নিয়ে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। ব্যক্তিগত বিরোধ, পূর্বশত্রুতা কিংবা অন্য কোনো কারণে এ ঘটনা ঘটেছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

ঘটনার পরপরই লবণচরা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত শুরু করে। আশপাশের লোকজন ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলে তথ্য সংগ্রহের পাশাপাশি জড়িতদের শনাক্তে অভিযান চালানো হচ্ছে।

লবণচড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ মোশাররফ হোসেন জানান, ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান শুরু করেছে। হত্যাকাণ্ডের কারণ এবং কারা এর সঙ্গে জড়িত, তদন্তের পর বিস্তারিত জানা যাবে।

এ ঘটনায় স্থানীয়রা দ্রুত হামলাকারীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের পাশাপাশি হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটনের দাবি জানিয়েছেন।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : জীবননগর সীমান্ত দিয়ে ভারতীয়সহ ৫ জনকে পুশইন করেছে বিএসএফ

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন