গাজীপুর মহানগরের কাশিমপুর থানাধীন ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সুলতান মার্কেট এলাকায় ‘মা ডেন্টাল এন্ড ফার্মেসী’ নামে একটি প্রতিষ্ঠানের মালিক মো. সফিউল্লাহ নামের আগে ‘ডা.’ ব্যবহারের ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
স্থানীয় সূত্র ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্য অনুযায়ী, মো. সফিউল্লাহ তার প্রতিষ্ঠানের ব্যানারে নিজের নামের আগে ‘প্রো. ডা. মো. সফিউল্লাহ’ লিখে ব্যবহার করছেন। এ বিষয়ে তার শিক্ষাগত যোগ্যতা জানতে চাইলে তিনি জানান, তিনি এসএসসি পর্যন্ত পড়াশোনা করেছেন।
সফিউল্লাহ জানান, পরিচিতির জন্যই তিনি ব্যানারে নামের আগে ‘ডা.’ ব্যবহার করেছেন। তবে তার শিক্ষাগত যোগ্যতা ও চিকিৎসা-সংক্রান্ত কোনো স্বীকৃত ডিগ্রি রয়েছে কি না, সে বিষয়ে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
এদিকে, তিনি আরও জানান, তার ফার্মেসী ব্যবসার বয়স প্রায় ৩-৪ বছর। তবে প্রতিষ্ঠানটির ড্রাগ লাইসেন্স নেই বলেও তিনি স্বীকার করেছেন।
অভিযোগ রয়েছে, দাঁতের সমস্যায় আসা রোগীদের জন্য ব্যবহৃত প্রেসক্রিপশনেও তার নামের আগে ‘ডা.’ লেখা রয়েছে। ফলে তিনি চিকিৎসা দেওয়ার ক্ষেত্রে কোনো স্বীকৃত ডেন্টাল ডিগ্রি বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদনপ্রাপ্ত কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
স্থানীয়দের প্রশ্ন, চিকিৎসাবিজ্ঞানের স্বীকৃত ডিগ্রি না থাকলে একজন ব্যক্তি কীভাবে নিজের নামের আগে ‘ডা.’ ব্যবহার করে রোগী দেখার জন্য প্রেসক্রিপশন তৈরি করতে পারেন? এতে সাধারণ রোগীরা বিভ্রান্ত হয়ে প্রকৃত চিকিৎসকের পরিবর্তে ভুল ব্যক্তির কাছে চিকিৎসা নেওয়ার ঝুঁকিতে পড়তে পারেন বলেও আশঙ্কা করছেন তারা।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্য বিভাগ, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (বিএমডিসি) এবং ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের নজরদারি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।


