বিজ্ঞাপন

পাটের ন্যায্য দাম নিশ্চিত ও সীমান্ত দিয়ে পাচার বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন

পাটের ন্যায্য দাম নিশ্চিত করা এবং সীমান্ত দিয়ে পাট পাচার বন্ধের দাবিতে কুড়িগ্রামের যাত্রাপুরে মানববন্ধন করেছেন পাট ব্যবসায়ী ও স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের অভিযোগ, স্থানীয় হাটে কৃষকদের কাছ থেকে কম দামে পাট কিনে সীমান্ত এলাকায় বেশি দামে বিক্রি করা হচ্ছে। পরে এসব পাট বিভিন্ন সীমান্তপথ দিয়ে ভারতে পাচার করা হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

শনিবার (২২ আগস্ট) দুপুরে কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার যাত্রাপুর ইউনিয়নের ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে অবস্থিত পাটহাটে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, উৎপাদন খরচ বাড়লেও স্থানীয় হাটে পাটের ন্যায্য দাম পাচ্ছেন না কৃষকেরা। বর্তমানে যাত্রাপুর হাটে প্রতি মণ পাট ৩ হাজার ৮০০ থেকে ৪ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অথচ সীমান্তবর্তী এলাকায় একই পাট ৫ হাজার ৫০০ টাকা পর্যন্ত দামে বিক্রি হচ্ছে বলে তাঁদের দাবি। ফলে কৃষকেরা স্থানীয় হাটে পাট না এনে সীমান্ত এলাকার ফড়িয়াদের কাছে বিক্রি করছেন।

পাটচাষি আবুল কাশেম বলেন, পাখিউড়া, কালারচর, চৌদ্দকুড়ি, নারায়ণপুর, শৌলমারী ও তেরিরহাট এলাকায় পাটের দাম তুলনামূলক বেশি পাওয়া যায়। তাঁর অভিযোগ, এসব এলাকার ফড়িয়াদের মাধ্যমে কেনা পাট পরে ভারতের ধুবরি ও পাটামারিহাট এলাকায় পাচার করা হচ্ছে।

স্থানীয় ব্যবসায়ী উজ্জল মিয়া বলেন, গত জুন থেকে প্রতিদিন বিভিন্ন সীমান্ত এলাকা দিয়ে পাট ভারতে পাচার করা হচ্ছে বলে তাঁরা জানতে পারছেন। দ্রুত এ পাচার বন্ধ করা না হলে স্থানীয় পাট ব্যবসায়ীরা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়বেন।

যাত্রাপুর পাটহাটের ইজারাদারের প্রতিনিধি শাহানুর আলী বলেন, একসময় এ হাটে প্রতি সপ্তাহে প্রায় ১০ হাজার মণ পাট বেচাকেনা হতো। কিন্তু বর্তমানে কৃষকেরা হাটে পাট নিয়ে আসছেন না। সীমান্ত এলাকায় বেশি দাম পাওয়ায় তাঁরা সেদিকে পাট বিক্রি করছেন।

মানববন্ধনে বক্তারা পাটের ন্যায্য দাম নিশ্চিত করতে কার্যকর বাজারব্যবস্থা গড়ে তোলা, সীমান্ত দিয়ে পাট পাচার বন্ধে নজরদারি বাড়ানো এবং কৃষক ও স্থানীয় ব্যবসায়ীদের স্বার্থ রক্ষায় দ্রুত প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান।

পড়ুন: জ্বালানি সংকট সরকারের নিয়ন্ত্রণে নেই, সমাধানে সময় লাগবে: অর্থমন্ত্রী

আর/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন