বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমানউল্লাহ আমান বলেছেন, একসময় কেরানীগঞ্জ ছিল বাতির নিচে অন্ধকার। কোনো সেতু ছিল না, ছিল না ভালো শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানসহ উন্নত সড়ক যোগাযোগব্যবস্থা। ১৯৯১ সালে বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পরই কেরানীগঞ্জের যোগাযোগে বিপ্লব ঘটে।
সোমবার (২৪ আগস্ট) আঞ্চলিক মহাসড়কের সংস্কার কাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আমানউল্লাহ আমান বলেন, “কেরানীগঞ্জ থেকে ঢাকাসহ পার্শ্ববর্তী এলাকায় যোগাযোগের সুবিধার্থে বাবুবাজার, বসিলা ও আলীপুর সেতু এবং জিনজিরা আঞ্চলিক মহাসড়ক বিএনপির আমলেই নির্মিত ও কোন্ডা থেকে হযরতপুর সড়ক। ঢাকা-২ আসনের মানুষ আমার ওপর বিশ্বাস রেখে আমাকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করেছেন এবং অবিভক্ত কেরানীগঞ্জ থেকে আপনারা চারবার মন্ত্রী বানিয়েছেন। এবারও সেই কেরানীগঞ্জের মানুষ ধানের শীষের প্রতি আস্থা বজায় রেখেছেন।”
অতীতের কথা স্মরণ করে তিনি আরও বলেন, “১৯৯৫ সালে কেরানীগঞ্জে বিএনপির অবস্থান অত্যন্ত শক্তিশালী ছিল, যেখানে প্রতিপক্ষের উপস্থিতি ছিল নামমাত্র। বিএনপি সব সময়ই উন্নয়নের রাজনীতিতে বিশ্বাসী। শুধু কেরানীগঞ্জ নয়, সারাদেশে উন্নয়নের যে জোয়ার শুরু হয়েছে তা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।”
দলীয় নেতৃত্বের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বিএনপি স্থায়ী কমিটির এই শীর্ষ নেতা বলেন, “আমাদের নেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আস্থা রেখে আমাকে স্থায়ী কমিটির সদস্য করেছেন। এজন্য আমি তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞ। জনগণের সেবা এবং এলাকায় সুশাসন নিশ্চিত করার মাধ্যমেই এই আস্থার প্রতিফলন ঘটাব, ইনশাআল্লাহ।
পড়ুন:উখিয়ায় জেনারেটরের সঙ্গে ওড়না-চুল পেঁচিয়ে নারী প্রকৌশলীর মৃত্যু
ইমি/


