হবিগঞ্জের লাখাইয়ে সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী নির্ধারিত স্থানে বালু না দিয়ে ব্যক্তিগত জায়গা ভরাটের অভিযোগে বালু উত্তোলন বন্ধ করে দিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। শুক্রবার গভীর রাতে উপজেলার বুল্লা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ‘সুতাং নদী দূষণমুক্তকরণ ও পুনরুজ্জীবিতকরণ’ প্রকল্পের আওতায় জিওবি অর্থায়নে বুল্লা থেকে নোয়াগাঁ পর্যন্ত সুতাং নদ খননকাজ প্রায় এক সপ্তাহ আগে শুরু হয়েছে। নদ খনন করে উত্তোলন করা বালু কবরস্থান, মসজিদ, মন্দির, শ্মশানঘাট ও সরকারি প্রতিষ্ঠানে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ভরাট করার নির্দেশনা রয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, ওই নির্দেশনা উপেক্ষা করে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান পাশের সিংহগ্রামের বড় মিয়ার পুকুর ভরাটের জন্য বালু উত্তোলন শুরু করে। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে শুক্রবার রাতে তাঁরা বালু উত্তোলন বন্ধ করে দেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য, প্রথমে বুল্লা বাজারসংলগ্ন একটি মাজারে অল্প পরিমাণ বালু ফেলা হয়। পরে সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী নির্ধারিত স্থানে বালু না দিয়ে ব্যক্তিগত জায়গা ভরাটের জন্য বালু উত্তোলন করা হচ্ছিল। এ সময় উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মাহবুবুল আলম মালুর নির্দেশে ওই পুকুর ভরাট করা হচ্ছিল বলেও অভিযোগ করেন তাঁরা।
এদিকে বুল্লা গ্রামের পাশ থেকে বালু উত্তোলনের ফলে নদীর তীরবর্তী এলাকায় ভাঙনের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, বালু উত্তোলন অব্যাহত থাকলে প্রায় অর্ধশতাধিক বাড়িঘর ঝুঁকির মধ্যে পড়তে পারে।
বুল্লা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খোকন চন্দ্র গোপ বলেন, আমি গত রোববার থেকে চট্টগ্রামে আছি। তবে শুনেছি কবরস্থান ভরাট করার কথা ছিল। কবরস্থান ভরাট না করে অন্য জায়গায় বালু ফেলায় গ্রামবাসী ক্ষুব্ধ হয়েছেন।
পড়ুন: দেশে স্বর্ণের দামে বড় পতন
আর/


