দশম শ্রেণিতে পাঠগ্রহণকালীন তুচ্ছ ঘটনায় ৬ বন্ধুর দ্বন্দ্বের জেরে ৫ বন্ধু মিলে দ্বাদশ শ্রেণিতে এসে পূর্বাচলের ৩শ ফুট সড়কের ভুইয়াবাড়ি ব্রিজে লেক এলাকায় পরিকল্পিতভাবে সড়ক দূর্ঘটনা সাজিয়ে মেহেদী হাসান দিগন্তকে গলাটিপে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
গত ২৮ আগষ্ট রাতে এ মর্মান্তিক হত্যাকান্ডের ঘটনায় রূপগঞ্জ থানা পুলিশের তদন্তে ১২ ঘন্টার মধ্যে রহস্য উৎঘটিত হলে ২ বন্ধুকে গ্রেফতার করে নারায়ণগঞ্জ আদালতে প্রেরণ করা হয়৷
এ ঘটনায় ৩০ আগষ্ট রবিবার বিকালে রূপগঞ্জ থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি এএইচএম সালাহউদ্দিন এক প্রেসব্রিফিংয়ে বলেন, গাজীপুর সদর এলাকায় ৬ সহপাঠী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পাঠগ্রহণকালীন বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে গত ২৮ আগষ্ট রাতে কোন এক সময়ে পূর্বাচলের ভুইয়া বাড়ি ব্রিজ এলাকায় হত্যা করে লেকের পানিতে বাইকসহ মেহেদী হাসান দিগন্তকে হত্যা করে ফেলে যায়৷ যা সড়ক দূর্ঘটনা হিসেবে ইতিমধ্যে ওই হত্যাকারীরা তাদের স্বজনদের কাছে প্রচার করে।
ঘটনা জানতে পেরে পুলিশ তদন্তে নামে। সন্দেহ হলে তুহিন ও আব্দুল্লাহ নামের দুই বন্ধুকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের জিজ্ঞাসাবাদের পর এ রহস্য উদঘাটন হয়। এ ঘটনায় নিহতের বড় ভাই শান্ত ইসলাম রাব্বি বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। বাকিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। নিহত মেহেদী ইসলাম দিগন্ত গাজীপুর সিটি করপোরেশন এলাকার সিরাজুল ইসলামের ছেলে। নিহত মেহেদী ও অভিযুক্ত ৫ জন গাজীপুর বোর্ড ক্যান্টনমেন্ট স্কুলে একসাথে একই শ্রেণিতে সহপাঠী ছিলো।
ওসি আরও জানান, পূর্ব শত্রুতার জেরেই রূপগঞ্জ ইউনিয়নের অন্তর্গত পূর্বাচল ০৭নং সেক্টরের অধীন আলমপুর সাকিনস্থ ভূইয়া ব্রীজের নীচে মেহেদী হাসান দিগন্ত (১৮) কে এলোপাথারী মারপিট করিয়া এবং শ্বাসরোধ পূর্বক হত্যা করে মৃতদেহ গুম করতে ব্রীজের নীচে লেকের পানিতে গাদার নীচে লুকিয়ে রাখে।
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

