বিজ্ঞাপন

ধামরাই খাদ্যগুদাম পরিদর্শনে খাদ্যমন্ত্রী, মজুত পর্যাপ্ত

খাদ্য মজুত পরিস্থিতি, চাল ও খাদ্যশস্যের সংরক্ষণ ব্যবস্থাপনা এবং সার্বিক কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শনের অংশ হিসেবে ঢাকার ধামরাই উপজেলার সরকারি খাদ্যগুদামে আকস্মিক পরিদর্শন করেছেন খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা।

রোববার (৩০ আগস্ট) বিকেলে ধামরাই পৌরসভার আমবাগান এলাকায় সরকারি খাদ্যগুদামে পৌঁছে মন্ত্রী গুদামের বিভিন্ন শেড ঘুরে দেখেন। এ সময় তিনি সংরক্ষিত খাদ্যশস্যের গুণগত মান, আর্দ্রতা ও পরিমাপের সঠিকতা যাচাই করেন। পাশাপাশি গুদামের স্টক রেজিস্টারসহ সংশ্লিষ্ট কাগজপত্রও খতিয়ে দেখেন।

পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, সাধারণ মানুষের কাছে ন্যায্যমূল্যে খাদ্যপণ্য সরবরাহ এবং খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার অত্যন্ত তৎপর। খাদ্যগুদামে কোনো ধরনের অনিয়ম বা দুর্নীতি বরদাশত করা হবে না।

তিনি বলেন, সঠিক চিত্র পাওয়ার জন্য আমি হঠাৎ করে বিভিন্ন জায়গায় পরিদর্শনে যাচ্ছি। ধামরাইয়েও এসে দেখলাম খাদ্যগুদামে মজুতের কোনো ঘাটতি নেই। আমি যেসব জায়গায় গিয়েছি, সব জায়গাতেই পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। ইনশাআল্লাহ, খাদ্য নিয়ে কোনো অসুবিধা হবে না।

সারের বিষয়ে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, দেশে পর্যাপ্ত সার রয়েছে। তবে সার বিতরণ ও ব্যবহারের ক্ষেত্রে কিছুটা অসামঞ্জস্য থাকায় বিভিন্ন ধরনের গুজব ছড়াচ্ছে। দেশে সারের কোনো সংকট নেই। আমি এই মন্ত্রণালয়ে নতুন দায়িত্ব নিয়েছি। কিছু কিছু জায়গায় সমস্যা রয়েছে, সেগুলো বিচার-বিশ্লেষণ করে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। যাতে সাধারণ কৃষকদের কোনো অসুবিধা না হয়।

সরকারি খাদ্যশস্য সঠিকভাবে সংরক্ষণ ও বিতরণে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের আরও সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেন মন্ত্রী। একই সঙ্গে যেকোনো দুর্যোগ বা সংকট মোকাবিলায় দেশের প্রতিটি জেলায় পর্যাপ্ত খাদ্য মজুত রয়েছে বলেও আশ্বস্ত করেন তিনি। খাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে বলেও জানান মন্ত্রী।

পরিদর্শনকালে ঢাকা-২০ আসনের সংসদ সদস্য তমিজ উদ্দিন, ধামরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আল মামুন, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক, স্থানীয় খাদ্যগুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসিএলএসডি), স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা, খাদ্য বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : ডেঙ্গুতে ২৪ ঘন্টায় মৃত্যু ৩, সর্বোচ্চ আক্রান্ত

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন