বিজ্ঞাপন

বন্দরে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে হামলায় শাহিনের মৃত্যু

বিজ্ঞাপন

নারায়ণগঞ্জের বন্দরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ ও দেওয়ানি মামলার জের ধরে হামলায় গুরুতর আহত মো. শাহীন (৪৮) মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) বিকেল আনুমানিক ৫টার দিকে ধানমন্ডির পপুলার হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

নিহত শাহীন বন্দর থানাধীন ধামগড় এলাকার বাসিন্দা বলে জানা গেছে।

নিহতের চাচা মো. আব্দুস সালাম (৫৭) জানান, গত ১ সেপ্টেম্বর বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ১ নম্বর ঢাকেশ্বরী জামে মসজিদে নামাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে মসজিদের সামনের সড়কে শাহীনের ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয়। এ সময় হামলাকারীরা দেশীয় অস্ত্র ও লোহার পাইপ দিয়ে তাকে মারধর করে গুরুতর আহত করে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে মদনপুরের বারাকাহ হাসপাতালে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হলে তাকে স্কয়ার হাসপাতাল ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সর্বশেষ ধানমন্ডির পপুলার হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় নিহতের চাচা মো. আব্দুস সালাম বাদী হয়ে বন্দর থানায় সাতজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৭-৮ জনকে আসামি করে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগে আসামি করা হয়েছে—সোনারচড়া এলাকার মো. আবু সাইদ (৫৫), মো. লিয়াকত হোসেন (৪০), রহমান (৪৫), মো. জলিল (৫৭), মো. আল আমিন (৪০), মো. সেলিম (৪২) ও মো. রফিকুল (৪২)।

বাদীর অভিযোগ, ধামগড় মৌজায় তাদের পৈতৃক ৮১ শতাংশ জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে দেওয়ানি আদালতে মামলা হলে ২০২৪ সালে তাদের পক্ষে রায় আসে। পরে ওই জমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণের অর্থ প্রদানকে কেন্দ্র করে বিরোধের সৃষ্টি হয়। এর জেরেই শাহীনের ওপর হামলা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

এবিষয়ে বন্দর থানার এস আই ( তদন্তকারী কর্মকর্তা) সিরাজুল ইসলাম বলেন, অভিযোগের পর তদন্তে শেষে বন্দর থানায় মামলা হয়েছে। পরবর্তীতে আসামীদের খোঁজা হচ্ছে। এখনো পর্যন্ত এ ঘটনায় কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি। তবে আশা করি দ্রুতই জড়িতদের আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে।

পড়ুন : গাইবান্ধায় দুর্নীতিবিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন