বিজ্ঞাপন

এসএসসির খাতা পুনর্নিরীক্ষণের ফল প্রকাশ আজ, পাবেন যে উপায়ে

বিজ্ঞাপন

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা ২০২৬-এর পুনর্নিরীক্ষণসহ মূল্যায়নের ফল বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।

গত বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) আন্তশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটির এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। ওই বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, পুনর্নিরীক্ষণসহ মূল্যায়নের ফল তিন পদ্ধতিতে জানা যাবে। প্রথমত, নিজ নিজ শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে এ ফল প্রকাশ করা হবে। দ্বিতীয়ত, আবেদনকারীর দেওয়া মুঠোফোন নম্বরে এসএমএস পাঠানো হবে। এ ছাড়া https://rescrutiny.eduboardresults.gov.bd থেকেও ফল সংগ্রহ করা যাবে।

এদিকে এ বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফল পুনর্নিরীক্ষণের জন্য ৪ লাখের বেশি পরীক্ষার্থী প্রায় ১৩ লাখ আবেদন করেছে। এর মধ্যে ১০ লাখ ৫৬ হাজারের বেশি আবেদন পড়েছে লিখিত (তত্ত্বীয়) পরীক্ষার উত্তরপত্রের জন্য। আর ব্যবহারিক পরীক্ষার খাতার জন্য আবেদন পড়েছে ২ লাখ ৩১ হাজারের বেশি।

এবার ফল পুনর্নিরীক্ষণের ক্ষেত্রে উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়ন বা পুনর্নিরীক্ষণ করা হবে। এত দিন বোর্ডের নিয়মে উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়নের সুযোগ ছিল না। আবেদন করা পরীক্ষার্থীদের উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণ করে মূলত প্রাপ্ত নম্বরের যোগ-বিয়োগে কোনো ভুল হয়েছে কি না, তা দেখা হতো। এবার বিপুলসংখ্যক উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়ন ও পুনর্নিরীক্ষণ করতে গিয়ে চাপের মুখে পড়ে শিক্ষা বোর্ডগুলো।

গত ১০ আগস্ট এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। দীর্ঘদিন তুলনামূলক উচ্চ পাসের হার থাকার পর দুই বছর ধরে এসএসসির ফল কিছুটা নিম্নমুখী। এবার শুধু ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার নেমে এসেছে ৬৪ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশে, যা ১৯ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। গত বছরের তুলনায় পাসের হার কমেছে। জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যাও কমেছে প্রায় ১৯ হাজার।

৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ড মিলিয়ে এবার গড় পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ। অর্থাৎ প্রায় ৩৮ শতাংশ পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণ হতে পারেনি। এবার মোট পরীক্ষার্থী ছিল ১৮ লাখ ২৯ হাজারের বেশি। ফলে পাসের হার কমে যাওয়ার বিষয়টি নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই আলোচনা বেশি হয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদনেও।

ফল প্রকাশের পর পুনর্নিরীক্ষণের জন্য অনলাইনে ১১ থেকে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত আবেদন গ্রহণ করা হয়। শিক্ষা বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীন ৪ লাখ ২ হাজার ৫১ জন পরীক্ষার্থী উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণের জন্য মোট ১২ লাখ ৮৭ হাজার ৯২৬টি আবেদন করেছে। এর মধ্যে লিখিত পরীক্ষার জন্য ১০ লাখ ৫৬ হাজার ৪৫৫টি এবং ব্যবহারিক পরীক্ষার জন্য ২ লাখ ৩১ হাজার ৪৭১টি আবেদন জমা পড়েছে।

অন্যান্য শিক্ষা বোর্ডের তথ্য পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, ঢাকা বোর্ডেই সবচেয়ে বেশি আবেদন পড়েছে। এ ছাড়া কুমিল্লা বোর্ডে ৩৫ হাজারের বেশি, রাজশাহী বোর্ডে ৩৯ হাজারের বেশি, যশোরে ২৮ হাজারের বেশি, চট্টগ্রামে ৩৯ হাজারের বেশি, বরিশালে ১৭ হাজারের বেশি, সিলেটে ২০ হাজারের বেশি, দিনাজপুরে ৩৭ হাজারের বেশি এবং ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডে ২৭ হাজার ৬৭৬ জন পরীক্ষার্থী একাধিক বিষয়ের ফল পুনর্নিরীক্ষণের জন্য আবেদন করেছে।

এ ছাড়া মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে ৪০ হাজারের বেশি এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ২০ হাজারের বেশি পরীক্ষার্থী ফল পুনর্নিরীক্ষণের জন্য আবেদন করেছে।

পড়ুন : ডব্লিউএইচওর পদ ছাড়লেন সায়মা ওয়াজেদ

সা/

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন