বরগুনার পাথরঘাটায় বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে গিয়ে ট্রলার থেকে ছিটকে পড়ে নিখোঁজ হওয়া জেলে শাহীনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সাগরে মাছ ধরারত অবস্থায় রুহিতা গ্রামের আব্বাস মিয়ার মালিকানাধীন এফবি মরিয়ম ট্রলারের মাঝি আবদুল্লাহ ভাসমান অবস্থায় শাহীনকে দেখতে পান। পরে তাকে উদ্ধার করে পাথরঘাটায় নিয়ে আসেন এবং পরিবারের কাছে পৌঁছে দেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বরগুনা জেলা মৎস্য ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী।
উদ্ধারের পর জেলে শাহীন জানান, সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে পাথরঘাতা থেকে প্রায় ১৫০ কিলোমিটার দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের গাঙ্গের আইনের কাছে মাছ ধরার সময় পেছন দিক থেকে অন্য একটি ট্রলার ধাক্কা দিলে তিনি ছিটকে সাগরে পড়ে যান। এরপর মাছ ধরার ফ্লোট ধরে ভাসমান অবস্থায় সাগরে টিকে ছিলেন তিনি।
পরে বুধবার রুহিতা গ্রামের আব্বাস মিয়ার ট্রলারের লোকজন তাকে ভাসমান অবস্থায় দেখতে পায়। এরপর তাকে উদ্ধার করে পাথরঘাটায় নিয়ে আসে এবং পরিবারের সদস্যদের খবর দেন।
এর আগে সোমবার রাতে চরদুয়ানি ইউনিয়নের ফুল মিয়ার মালিকানাধীন মাছ ধরার ট্রলার থেকে সাগরে পড়ে নিখোঁজ হন শাহীন। তাকে উদ্ধারে ট্রলার মালিক পক্ষ ও জেলে সমিতির উদ্যোগে একাধিক ট্রলার সাগরে পাঠিয়ে দীর্ঘ সময় ধরে খোঁজাখুঁজি চালানো হয়।
জেলে নেতারা জানান, কোস্ট গার্ড বা সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থার কাছে নদী ও সাগরে নিখোঁজ জেলেদের উদ্ধারের জন্য পর্যাপ্ত আধুনিক উদ্ধারযান না থাকায় অনেক সময় নিখোঁজ জেলেদের জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয় না।
বরগুনা জেলা ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরীসহ জেলে নেতারা বলেন, “আর কত জেলে নিখোঁজ ও মারা গেলে সরকার জেলেদের উদ্ধারে আধুনিক ও উন্নতমানের উদ্ধারযানের ব্যবস্থা করবে?” তাঁরা দ্রুত জেলেদের জন্য আধুনিক উদ্ধারযান ও প্রয়োজনীয় উদ্ধারব্যবস্থা নিশ্চিত করার দাবি জানান।
পড়ুন : সুতা আমদানিতে বন্ড সুবিধা প্রত্যাহার: স্থগিতের দাবি বিজিএমইএ-বিকেএমইএর
সা/


