বিজ্ঞাপন

তেতুলিয়ায় তালাকের নোটিশ পেয়ে স্বেচ্ছায় বাবার বাড়ি গিয়ে মারপিট ও যৌতুকের মামলা

বিজ্ঞাপন

পঞ্চগড়ে মারপিট ও যৌতুকের অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে হযরত আলী নামে কাজীর বিরুদ্ধে।
গত ৯ সেপ্টেম্বর রুপালি বেগম বাদী হয়ে বিজ্ঞ নারী শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ আদালতে মামলা দায়ের করেন।বিচারক মামলা আমলে নিয়ে ডিবি ওসিকে তদন্তের আদেশ দেন।বিবাদী হযরত আলী বলছে মারপিটের কোন ঘটনা ঘটেনি।স্বেচ্ছায় বাড়ি থেকে ব্যাগ নিয়ে বাবার বাড়িতে গিয়ে আমিসহ আমার পরিবারের মানুষের নামে মিথ্যা অভিযোগ তুলে মামলা করেছে এর সুষ্ঠু তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থ নেওয়ার দাবী জানাচ্ছি।

মামলার বাদি মোছা.রুপালি বেগম (৩০) পঞ্চগড় সদর উপজেলার বকশিগঞ্জ এলাকার জয়নুদ্দিনের মেয়ে।মামলায় তিনজনকে বিবাদী করা হয়েছে।তারা হলেন- তেঁতুলিয়া উপজেলার ফুটকিবাড়ী এলাকার হামিদুল হকের ছেলে হযরত আলী (৩৭) তার মা জবেদা খাতুন (৫৫) এবং বোন জামাই একই উপজেলার আমজুয়ানি এলাকার মৃত সামছুল হকের ছেলে আওলাদ হোসেন (৪০)।

অভিযোগে বলা হয়েছে-পরিবারের সম্মতিক্রমে ২০১১ সালে বাদী বিবাদীর বিয়ে হয়।তাদের ঔরষে তিন সন্তান রয়েছে।পরিবারের পরামর্শে বাদীকে ৫ লাখ টাকা যৌতুক আনার জন্য প্রায় সময় মারপিট করে।এ নিয়ে স্থানীয়ভাবে শালিস হয়।যৌতুকের টাকা না আনায় একপর্যায়ে গত ৪ সেপ্টেম্বর বিকালে লোহার রড দিয়ে বাদীনিকে মারপিট করে ঘরের দরজা বন্ধ করে রাখে।পরে তার বাড়ির লোকজন আসে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে তেঁতুলিয়া পরে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে চিকিৎসা করা হয়।
এলাকাবাসী জানায়, হযরত আলীর স্ত্রী রুপালি বেগম তার সাথে কারনে অকারনে ঝগড়া করে বাবার বাড়িতে চলে যায়।সন্তানের কথা চিন্তা করে একাধিকবার নিয়ে আসে ঘর সংসার করেন। সংসার করার সময় রুপালি বেগম যত্রতত্র ঘোরাফেরা করেন এতে বাঁধা দিলে স্বামীসহ শশুর শাশুড়িকে মারপিট ও ধাক্কাধাক্কি করেন।এক সময়ে তিনি বাবার বাড়িতে বসবাস শুরু করে।এরুপ আচরনে সন্তানের ভবিষ্যৎ চিন্তা করে শান্তিপূর্ণভাবে দাম্পত্য জীবন পালন করিবেন মর্মে রুপালী বেগমসহ তার বাবা-মাকে লিগ্যাল নোটিশ করা হয়।পর পর তিনবার নোটিশে সন্তোষ জনক জবাব না দেওয়ায় পরে জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থায় অভিযোগ করেও ব্যর্থ হয়। পরে তালাক প্রদান করে হযরত আলী।

বাদীনির মেয়ে মোছা.হুমায়রা রাহিদা হুমা (১৩) বলেন,ঘটনার দিন সকালে কুরিয়ারে মায়ের একটি চিঠি আসে।সেটা তার ডিভোর্স লেটার ছিল।এটা নিয়ে বাবার সাথে বিতর্ক হয়েছে।বিকালে মসজিদের লোকজনকে বিচার দিয়ে বাসায় ডেকে আনেন।সেখানে বাবা তাকে রাখবেনা বলে জানিয়ে দেন।পরে মা ঘর থেকে ব্যাগ নিয়ে অটো রিক্সা নিয়ে চলে যান। একই বক্তব্য সাবেক ইউপি সদস্য মকলেছার রহমান,মসজিদের মুসল্লি আকবর আলী,আবু সালেক,জুলফিকার আলীসহ অনেকে।

মামলার বাদী রুপালি বেগম বলেন,আমাকে যৌতুকের জন্য প্রায় মারপিট করত।সম্প্রতি দ্বিতীয় বিয়ে করায় নির্যাতন আরো বেড়ে যায়।গত ৪ তারিখ সকালে মারপিট করার ফলে আমি জামায়াতে বিচার দেই।দুপুরের নামাযের পর জামায়াতবাসী বসলেও বিবাদী তাদের জানিয়ে দেয় আইনের আশ্রয় নিয়েছি।পরে আমি বাড়ি থেকে ব্যাগ নিয়ে চলে আসি।

পড়ুন:চ্যাটজিপিটিতে প্রশ্নে কতটুকু পানি খরচ হয়?

ইমি/ ‎

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন