বন্দর থানায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে পূর্বের ও রুজুকৃত মামলার আসামি, পরোয়ানাভুক্ত আসামি ও মাদকসেবীসহ মোট ২৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
সোমবার(১৪ সেপ্টেম্বর) রাতে বন্দর থানার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারদের মধ্যে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় দুইজন, চুরির মামলায় চারজন, দস্যুতার প্রস্তুতি ও সংঘবদ্ধ অপরাধের মামলায় দুইজন, চারটি মাদক মামলায় চারজন, গ্রেপ্তারি পরোয়ানামূলে একজন এবং মাদক সেবনরত অবস্থায় আরও ১৫ জন রয়েছেন।
সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গ্রেপ্তার দুজন হলেন মো. শফিউল আলম (৪৬) ও কবির ওরফে মোশারফ হোসেন (৫০)। তাদের মধ্যে শফিউল আলম বন্দর উপজেলা ৫ নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি এবং কবির ওরফে মোশারফ হোসেন বন্দর উপজেলা ২ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সহসভাপতি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে পুলিশি নথিতে।
চুরির মামলায় গ্রেপ্তার চারজন হলেন মো. রাকিব ওরফে রকি (২৮), লোকনাথ দাস (৩০), হেলাল উদ্দিন (২৫) ও মো. রুবেল (৩০)।
দস্যুতার প্রস্তুতি ও সংঘবদ্ধ অপরাধের মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে হিমেল (২৬) ও মো. সাগর (২৫)কে।
এ ছাড়া চারটি মাদক মামলায় মো. মোখলেছুর রহমান শুভ (৩০), মো. আউয়াল মিয়া (৪৮), মো. জাকারিয়া হোসেন ওরফে শুভ (৩০) ও অপূর্ব (২৪)কে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারি পরোয়ানামূলে জাহিদুর হাসান বাবুকেও গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বন্দর থানা অফিসার ইনচার্জ ওসি জামাল উদ্দিন জানান, মঙ্গলবার রাতে বন্দর থানা এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে মাদক সেবনরত অবস্থায় আরও ১৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
বন্দর থানার পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে। মাদক, কিশোর গ্যাং, ছিনতাই ও অবৈধ অস্ত্রসহ বিভিন্ন অপরাধ দমনে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
পড়ুন:বরিশালে স্ত্রীর হাতে স্বামী খুন
ইমি/


