বিজ্ঞাপন

জেলে গেলে নির্বাচন বন্ধ! তাই আগেই আওয়ামী লীগ ছাড়লেন খোকন

বিজ্ঞাপন

নির্বাচনের মাঠে নামার আগেই রাজনৈতিক অবস্থান বদল! আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন সামনে রেখে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের সব পদ-পদবি থেকে পদত্যাগ করেছেন ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার পুরাপাড়া ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মো. কামরুজ্জামান খোকন মিয়া।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিকালে নগরকান্দা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে পদত্যাগের ঘোষণা দেন তিনি।

শুধু শারীরিক বা পারিবারিক কারণ নয়, পদত্যাগের পেছনে নির্বাচনী হিসাবও রয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে নিজেই জানিয়েছেন খোকন মিয়া।

তিনি নাগরিক টিভির একান্ত সাক্ষাৎকার বলেন নির্বাচনকে সামনে রেখে বিভিন্ন মহল তাকে গ্রেপ্তার করানোর চেষ্টা করছে বলে তিনি মনে করছেন। তিনি জেলে থাকলে নির্বাচনে অংশ নেওয়া বাধাগ্রস্ত হতে পারে। তাই নির্বাচনী প্রস্তুতির অংশ হিসেবেই আগেভাগে আওয়ামী লীগের পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন।

খোকন মিয়ার ভাষ্য, দলের লোকজনও দীর্ঘদিন ধরে তাকে পদত্যাগ করার জন্য বলে আসছিলেন। তাই নির্বাচনের আগেই পদত্যাগের কার্যক্রম শেষ করেছেন, যাতে নির্বাচনের আগে কোনো আইনি জটিলতায় পড়তে না হয়।

তার এমন বক্তব্যের পরই প্রশ্ন উঠেছে, এটি কি শুধুই দলীয় পদ থেকে পদত্যাগ, নাকি আসন্ন নির্বাচনে নিজের রাজনৈতিক অবস্থান নিরাপদ রাখার কৌশল?

স্থানীয় রাজনৈতিক মহলের কেউ কেউ বিষয়টিকে নির্বাচনের মাঠে নতুন পরিচয়ে যাওয়ার কৌশল হিসেবে দেখছেন। তাদের মতে, দীর্ঘদিন আওয়ামী লীগের গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকার পর নির্বাচনের ঠিক আগে পদত্যাগের মাধ্যমে বিরোধী পক্ষের ‘আওয়ামী লীগের লোক’ তকমা এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা থাকতে পারে। এ কারণে তার পদত্যাগকে কেউ কেউ সুযোগসন্ধানী রাজনৈতিক কৌশল হিসেবেও দেখছেন।

তবে খোকন মিয়া দাবি করেছেন, তার পদত্যাগের পেছনে অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের চাপ বা প্ররোচনা নেই। ব্যক্তিগত ও নির্বাচনী বাস্তবতা বিবেচনা করেই তিনি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

এখন দেখার বিষয়, আওয়ামী লীগের পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর পর আসন্ন পুরাপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে খোকন মিয়ার রাজনৈতিক অবস্থান কোন দিকে যায় এবং ভোটের মাঠে তার এই কৌশল কতটা কার্যকর হয়।

পড়ুন : গণ্ডি পেরিয়ে সফল অভিযান: ট্রেন ছাড়ার আগেই বিদেশী মদ জব্দ

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন