বিজ্ঞাপন

কেরানীগঞ্জে সরকার ডিজিটাল সিটির বিরুদ্ধে এলাকাবাসীর মানববন্ধন

বিজ্ঞাপন

ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের রাজেন্দ্রপুরের পাইনা নয়াগাঁও এলাকায় কৃষিজমি ও ব্যক্তিমালিকানাধীন জমিতে সরকার ডিজিটাল সিটি হাউজিং কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে জোর করে বালু ভরাটের অভিযোগ উঠেছে। এতে বাধা দিলে জমির মালিক ও কৃষকদের হয়রানি এবং চাঁদাবাজির মামলায় দিয়ে হয়রানি করে বলে দাবি স্থানীয় বাসিন্দাদের। সরকার ডিজিটাল সিটি বিরুদ্ধে জমি দখল, বালু ভরাট ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছেন এলাকাবাসী।

আজ বুধবার ( ১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে রাজেন্দ্রপুর পাইনা নয়াগাঁও এলাকায় এলাকাবাসীর উদ্যোগে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে স্থানীয় কৃষক, জমির মালিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

মানববন্ধনে কৃষক দুলাল মিয়া বলেন, তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে নিজেদের জমিতে চাষাবাদ করে আসছেন। সম্প্রতি তাঁদের জমিতে বালু ভরাটের চেষ্টা করা হচ্ছে। জমিতে বালু ফেলতে বাধা দিলেই তাঁদের ওপর মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার ও এলাকার করে দোওয়া হুমকি দেয়। নিজেদের জমি রক্ষার কথা বললেই মামলা-হয়রানির ভয় দেখানো হচ্ছে। প্রতিবাদ করায় ১১ সেপ্টেম্বর আমার বিরুদ্ধে থানায় চাঁদাবাজির মামলা করে আমাকে আমার বাসায় পুলিশ ও র‍্যাব পাঠিয়েছে। একজন কৃষক কীভাবে হাউজিং কাছে চাঁদা নিতে পারো,আবার এটা পুলিশ কীভাবে মামলার নেয়। সরকার ডিজিটাল সিটি অনেক টাকার মালিক তাদের টাকা খেয়ে পুলিশ প্রশাসন তাদের বিরুদ্ধে কাজ করে। আমরা খেটে খাওয়া গরিব মানুষ আমরা কী বিচার পাবো

কৃষক আলাল বলেন, ‘আমরা কৃষিকাজ করে জীবিকা নির্বাহ করি। জমিতে জোর করে বালু ভরাট করা হলে আমাদের চাষাবাদ বন্ধ হয়ে যাবে। আমরা কারও জমি দখল করতে চাই না, নিজেদের জমি রক্ষা করতে চাই। জমিতে বালু ভরাটের কারণে স্থানীয় কৃষকেরা উদ্বিগ্ন। প্রশাসনের কাছে বিষয়টি সরেজমিনে তদন্ত করার দাবি জানান তিনি।

জমির মালিক বক্কর বলেন, জমির মালিকদের সম্মতি ছাড়া তাঁদের জমিতে বালু ভরাট করার কোনো সুযোগ থাকা উচিত নয়। আমরা শান্তিপূর্ণভাবে এর প্রতিবাদ করছি। প্রতিবাদ করায় যাতে কাউকে মিথ্যা বা হয়রানিমূলক মামলায় জড়ানো না হয়, সেটি প্রশাসনকে নিশ্চিত করতে হবে। সরকার ডিজিটাল সিটি এমডি খোরশেদ সরকার সাধারণ মানুষকে হুমকি দেয়। পুলিশের এএসপি তরিকুল ইসলাম নাকি তার বন্ধু। তাকে দিয়ে তিনি বিভিন্ন মামলা ও মানুষকে হয়রানি করে।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, কোনো আবাসন প্রকল্পের জন্য জমি প্রয়োজন হলে আইনানুগ প্রক্রিয়ায় জমির মালিকদের সঙ্গে সমঝোতা করতে হবে। কিন্তু জোরপূর্বক বালু ভরাট করে জমির প্রকৃতি পরিবর্তন করা এবং এতে বাধা দিলে মামলা-হয়রানির ভয় দেখানো হলে স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হবে।

তাঁরা আরও বলেন, কৃষিজমি রক্ষা এবং জমির মালিকদের অধিকার নিশ্চিত করতে প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। অবৈধভাবে বালু ভরাটের অভিযোগ তদন্ত করে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি জানান তাঁরা।

মানববন্ধন থেকে ব্যক্তিমালিকানাধীন জমিতে জোর করে বালু ভরাট বন্ধ, কৃষিজমি রক্ষা, জমির মালিক ও কৃষকদের হয়রানি বন্ধ এবং চাঁদাবাজির মিথ্যা মামলায় কাউকে হয়রানি না করার দাবি জানানো হয়।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন