বিজ্ঞাপন

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে পানিতে ডুবে সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থীর মৃত্যু

বিজ্ঞাপন

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে বন্যার পানিতে ডুবে সামিনা খাতুন (১৩) নামে সপ্তম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। আজ শনিবার বিকেল ৩টার দিকে উপজেলার রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের হায়দারের চর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। চিলমারী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী নিহত সামিনা হায়দারের চর এলাকার সাইদুল মালিথার মেয়ে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পদ্মা নদীর পানি বৃদ্ধির ফলে চারদিক তলিয়ে যাওয়ায় বাড়ির পাশেই জমে থাকা পানিতে গোসল করতে নামে সামিনা। সঙ্গে তার বোন সিনা ও আরও একজন ছিল। গোসলের একপর্যায়ে সামিনা পানিতে তলিয়ে যায়। এ সময় সঙ্গে থাকা দুজন চিৎকার দিলে আশপাশের লোকজন ছুটে গিয়ে তাকে উদ্ধারে পানিতে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। প্রায় এক ঘণ্টা খোঁজাখুঁজির পর ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ৫’শ গজ দূরে সামিনার লাশ উদ্ধার করেন তারা।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী চঞ্চল হোসেন বলেন, বাড়ির পাশেই বন্যার পানি উঠে যাওয়ায় সামিনা, তার বোনসহ আরও একজন সেখানে গোসল করতে নামে। একপর্যায়ে সামিনা পানিতে তলিয়ে যায়। সঙ্গে থাকা দুজন চিৎকার করলে এলাকাবাসী ছুটে এসে প্রায় এক ঘণ্টা খোঁজাখুঁজির পর ঘটনাস্থল থেকে ৫’শ গজ দূরে তার লাশ উদ্ধার করে।

রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সিরাজ মন্ডল বলেন, চারদিকে পানি থৈ থৈ করছে। শিশুরা বাড়ির আঙিনাতেই গোসল করতে নামছে। গত ১৫-২০ দিনে বন্যার পানিতে ডুবে অন্তত তিনজনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। এমন মর্মান্তিক ঘটনায় আমরা দুঃখিত।

দৌলতপুর থানার ওসি খালেদুর রহমান জানান, রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের হায়দারের চর এলাকায় পানিতে ডুবে এক শিক্ষার্থীর মৃত্যুর খবর পেয়ে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। তবে পুলিশ পৌঁছানোর আগেই স্থানীয়রা তার লাশ উদ্ধার করে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে নিহত শিশুর লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

পড়ুন : ১৩ বছর পর পৈতৃক জমির দখল ফিরে পেলেন মোখলেছ মিয়া

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন