বিজ্ঞাপন

মদনে হত্যাচেষ্টাসহ একাধিক মামলার ২ আসামি গ্রেপ্তার

বিজ্ঞাপন

অপরাধ করে আত্মগোপনে থাকলেও শেষ রক্ষা হলো না। নেত্রকোনার মদন উপজেলায় দীর্ঘদিন ধরে পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে চলা দুই পরোয়ানাভুক্ত পলাতক আসামি অবশেষে ধরা পড়েছেন। গ্রেফতারকৃত দুজনকে রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) সকালে জেলা আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃতদের একজন হলেন মদন উপজেলার ৩নং মদন ইউনিয়নের বারবুড়ী গ্রামের মানিক মিয়ার ছেলে মোশাহিদ (২৮)। আদালত ও থানা পুলিশ সূত্র জানায়, ২০২৫ সালের ২ আগস্ট সন্ধ্যা ৭টা ১০ মিনিটে তার বিরুদ্ধে মদন থানায় বেআইনিভাবে দলবদ্ধ হয়ে সাধারণ মানুষকে আটকে রাখা, গুরুতর জখম, হত্যাপ্রচেষ্টা, চুরি, এবং প্রাণনাশের হুমকিসহ তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছিল। মামলা দায়েরের পর থেকেই তিনি ছিলেন জিআর পরোয়ানাভুক্ত পলাতক আসামি। এক বছরের বেশি সময় ধরে নিজেকে আড়াল করে রাখলেও অবশেষে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযানে ধরা পড়েন তিনি।

অন্যদিকে, অপর আসামি মো. জামাল ভূইয়া ওরফে জাপানের (২৮) অপরাধের ধরন ছিল আরও বেপরোয়া। কুলিয়াটি পশ্চিমপাড়া গ্রামের মৃত হেলিম ভূইয়ার ছেলের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে সরকারি কাজে বাধা দেওয়া এবং সরকারি কর্মচারীর ওপর হামলার মতো ধৃষ্টতার। চলতি বছরের ৫ জুন রাত ১২টা ১০ মিনিটে তার বিরুদ্ধে মামলাটি রুজু হয়। এ মামলায় তার বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারীকে কর্তব্য পালনে বাধা দেওয়া, বলপ্রয়োগ করে গুরুতর আহত করা এবং হত্যাপ্রচেষ্টার মতো ভয়ংকর অভিযোগ রয়েছে। জিআর পরোয়ানাভুক্ত এই আসামিও দীর্ঘদিন ধরে ধরাছোঁয়ার বাইরে ছিলেন। অবশেষে পুলিশি নজরদারির জালে আটকে পড়েন তিনি।

আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা ও অপরাধীদের দমনে মদন থানা পুলিশের ধারাবাহিক তৎপরতার কথা নিশ্চিত করেছেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সালাউদ্দীন করিম। সার্বিক বিষয়ে তিনি জানান, অপরাধীরা যতই কৌশলী হোক না কেন, তাদের বিচারের আওতায় আনতে পুলিশ বদ্ধপরিকর।

ওসি সালাউদ্দীন করিম বলেন, ‍“জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং আদালতের পরোয়ানা তামিল করার অংশ হিসেবে আমাদের নিয়মিত অভিযান চলমান রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ও জিআর পরোয়ানার ভিত্তিতে এই দুই পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে। আজ (রবিবার) যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া শেষে দুজনকে জেলা আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।”

পড়ুন : অপ্রতিম হত্যায় ৪ জন গ্রেফতার, দ্রুত তদন্ত শেষে বিচার শুরু: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সা/

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন