বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মাদ্রাসায় যাওয়ার পথে উধাও ১৩ বছরের শাহীন, ৫ দিনেও মেলেনি সন্ধান

মাদ্রাসায় পড়তে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়েছিল ১৩ বছরের শিশু আরাফাত হোসেন শাহীন। কিন্তু পাঁচ দিন পেরিয়ে গেলেও সে আর বাড়ি ফেরেনি। আত্মীয়স্বজন, মাদ্রাসার শিক্ষক ও বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও তার কোনো সন্ধান না পাওয়ায় উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় দিন কাটছে পরিবারের।

বিজ্ঞাপন

লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলার চর পোড়াগাছা এলাকার এ ঘটনায় নিখোঁজ শিশুটির সন্ধান চেয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন তার মা শাহিনুর বেগম।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) চর পোড়াগাছার বাড়ি থেকে কমলনগর উপজেলার তোরাবগঞ্জের দারুস সুন্নাহ ইসলামিয়া মাদ্রাসায় যাওয়ার উদ্দেশ্যে বের হয় শাহীন। সে ওই মাদ্রাসার হেফজ বিভাগের ছাত্র। এরপর থেকেই তার আর কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।

নিখোঁজ শাহীনের বাড়ি লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার চর কাদিরা ইউনিয়নের চর বসু গ্রামে।
শিশুটির বাবা আবুল বাশার বলেন, “বাড়ির লোকজন, আত্মীয়স্বজন ও মাদ্রাসার শিক্ষকদের নিয়ে অনেক জায়গায় খোঁজ করেছি। লক্ষ্মীপুরের বিভিন্ন এলাকায়ও সন্ধান চালানো হয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত ছেলের কোনো সন্ধান পাইনি।”

পরিবারের সদস্যরা জানান, নিখোঁজ হওয়ার সময় শাহীনের পরনে ছিল কালো রঙের পাঞ্জাবি ও টুপি। তার গায়ের রং শ্যামলা, উচ্চতা প্রায় ৪ ফুট ৫ ইঞ্চি।
এদিকে শিশুটির নিখোঁজের ঘটনায় নানা প্রশ্ন তৈরি হয়েছে পরিবারের মধ্যে। বাড়ি থেকে মাদ্রাসার উদ্দেশ্যে বের হওয়ার পর ঠিক কোন স্থান থেকে সে নিখোঁজ হয়েছে, সে বিষয়ে নিশ্চিত হতে পারেনি পরিবার।

রামগতি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লিটন দেওয়ান বলেন, শিশুটির মা তাকে মাদ্রাসা পর্যন্ত এগিয়ে দেননি। পথের মাঝামাঝি কোনো স্থান থেকে সে নিখোঁজ হয়ে থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। মাদ্রাসার পড়াশোনার ভীতির কারণেও এমনটি হতে পারে বলে পুলিশ ধারণা করছে।

তিনি বলেন, “শিশুটির মা থানায় জিডি করেছেন। বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে এবং তাকে উদ্ধারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।”

পাঁচ দিন ধরে সন্তান নিখোঁজ—শাহীনের পরিবারের এখন একটাই প্রত্যাশা, দ্রুত তার সন্ধান মিলুক এবং নিরাপদে সে ফিরে আসুক।

পড়ুন: আওয়ামী লীগকে মদদ দিচ্ছে কে, ঝটিকা মিছিলের নেপথ্যে কারা?

আর/

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন