বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

২৫ বছর ধরে অচল জেনারেটর! বিদ্যুৎ গেলেই অন্ধকারে কুলাউড়া হাসপাতাল

মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রায় ২০ থেকে ২৫ বছর ধরে অচল হয়ে পড়ে আছে জেনারেটর। কার্যকর পূর্ণাঙ্গ বিকল্প বিদ্যুৎ-ব্যবস্থা না থাকায় বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সময় রোগী ও স্বজনদের ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। বিশেষ করে রাতের বেলায় অন্ধকারে চিকিৎসাসেবা ও রোগীদের স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হচ্ছে।

৫০ শয্যার কুলাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ চিকিৎসা নিতে আসেন। হাসপাতালটিতে রয়েছে ১০ শয্যার আইসোলেশন ইউনিটও। কিন্তু বিদ্যুৎ চলে গেলে অনেক সময় রোগী ও স্বজনদের মোবাইলের টর্চ বা অন্যান্য বিকল্প আলোর ওপর নির্ভর করতে হয়।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে হাসপাতালের পুরোনো জেনারেটরটি অচল। এটি মেরামত করে পুনরায় চালু করা সম্ভব নয়। বিদ্যুৎ চলে গেলে দীর্ঘ সময় বিকল্প বিদ্যুৎ-ব্যবস্থার সংকট তৈরি হয়।

এক রোগীর স্বজন বলেন, বিদ্যুৎ চলে গেলে রোগী নিয়ে সমস্যায় পড়তে হয়। হাসপাতালে একটি কার্যকর ব্যাকআপ ব্যবস্থা থাকা প্রয়োজন।

সম্প্রতি হাসপাতালের এই সংকটের বিষয়টি নজরে আসার পর রোগীদের সাময়িক স্বস্তি দিতে এগিয়ে আসে টিম জার্নালিস্টস, কুলাউড়া। সংগঠনটির উদ্যোগে এবং রফিক আহমদ ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় হাসপাতালের বিভিন্ন স্থানে ১০টি ব্যাকআপ লাইট স্থাপন করা হয়েছে। বিদ্যুৎ চলে গেলে এসব লাইটের মাধ্যমে রোগী ও স্বজনরা সাময়িকভাবে আলো পাচ্ছেন।

টিম জার্নালিস্টসের উপদেষ্টা এম. মুক্তাদির হুসেন বলেন, কুলাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি প্রায় পাঁচ লাখ মানুষের চিকিৎসাসেবার সঙ্গে সম্পৃক্ত। হাসপাতালের সমস্যা নজরে আসার পর সীমাবদ্ধতার মধ্যেও টিম জার্নালিস্টসের উদ্যোগে এবং রফিক আহমদ ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় দুই দিনের মধ্যে ১০টি ব্যাকআপ লাইট স্থাপন করা হয়েছে।

কুলাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা উৎফল দাশ বলেন, হাসপাতালের পুরোনো জেনারেটরটি প্রায় ২০ থেকে ২৫ বছর ধরে অচল। এটি আর মেরামত করে চালু করা সম্ভব নয়। বিদ্যুৎ চলে গেলে টর্চ বা মোবাইলের আলোর ওপর নির্ভর করতে হয়। সম্প্রতি টিম জার্নালিস্টসের মাধ্যমে হাসপাতালে ১০টি ব্যাকআপ লাইট দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও জানান, হাসপাতালের বিদ্যুৎ-ব্যবস্থার বিষয়টি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, উপজেলা প্রশাসন ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অবহিত করা হয়েছে।

স্থানীয়দের দাবি, রোগীদের দুর্ভোগ কমাতে দ্রুত নতুন জেনারেটর স্থাপন অথবা আধুনিক ও পূর্ণাঙ্গ বিকল্প বিদ্যুৎ-ব্যবস্থা চালু করা প্রয়োজন। তাদের মতে, ব্যাকআপ লাইটের উদ্যোগ সাময়িক স্বস্তি দিলেও দীর্ঘদিনের এই সমস্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য প্রয়োজন প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগ।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টার প্রতিবাদে সিরাজগঞ্জ বেলকুচিতে বিক্ষোভ

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন