বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ধামরাইয়ে ১ হাজার ৯৮৫ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২

ঢাকার ধামরাইয়ে অভিযান চালিয়ে ১ হাজার ৯৮৫ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব-৪)। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ধামরাই পৌরসভার ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের অ্যাকমি মেডিসিন ফ্যাক্টরির ৫ নম্বর গেটসংলগ্ন ফুটওভার ব্রিজের নিচ থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—কক্সবাজারের টেকনাফ থানার জালিয়ামারা গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ছেলে আব্দুল মাজেদ (৩৩) এবং নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ থানার চণ্ডীপুর গ্রামের মৃত মনির উদ্দীনের ছেলে মো. নাছির উদ্দীন (৫২)। নাছির উদ্দীন বর্তমানে ধামরাইয়ের ছোট চন্দ্রাইল এলাকায় ভাড়া থাকতেন।

র‌্যাব-৪ সূত্রে জানা গেছে, ওই এলাকায় কয়েকজন মাদক কারবারি ইয়াবা কেনাবেচার জন্য অবস্থান করছে—এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সিপিসি-২ (নবীনগর ক্যাম্প)-এর নায়েব সুবেদার মো. আব্দুস সালামের নেতৃত্বে র‌্যাবের একটি দল অভিযান চালায়। র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে কয়েকজন পালানোর চেষ্টা করে। এ সময় স্থানীয় সাক্ষীদের উপস্থিতিতে দুইজনকে আটক করা হয়।

পরে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের দেহ তল্লাশি করে তাদের কাছ থেকে মোট ১ হাজার ৯৮৫ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এ সময় কয়েকটি মোবাইল ফোনসহ মাদক বহন ও বিক্রির কাজে ব্যবহৃত অন্যান্য আলামতও জব্দ করা হয়।

র‌্যাব কর্মকর্তা মো. আব্দুস সালাম জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরে সীমান্তবর্তী বিভিন্ন এলাকা থেকে ইয়াবা সংগ্রহ করে ধামরাইসহ ঢাকা ও মানিকগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় বিক্রি করে আসছিল বলে তথ্য পাওয়া গেছে।

তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় র‌্যাব বাদী হয়ে ধামরাই থানায় মামলা করেছে। পরে গ্রেপ্তার দুজনকে উদ্ধার করা ইয়াবা ও অন্যান্য আলামতসহ সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

পুলিশ ও র‌্যাবের সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি ফুটবলে চ্যাম্পিয়ন তাওহীদ একাদশ

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন