বিশ্ব নদী দিবস উপলক্ষ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তিতাস নদীতে বর্ণাঢ্য নৌ র্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জেলা শহরের তিতাস নদীর আনন্দ বাজার ঘাট থেকে নৌ র্যালিটি শুরু হয়ে শহরের ভাদুঘর বাজার ঘাট পর্যন্ত গিয়ে পুনরায় আনন্দ বাজার ঘাটে এসে শেষ হয়।
নদী ও প্রকৃতি সুরক্ষা সামাজিক আন্দোলন ‘তরী বাংলাদেশ এর উদ্যোগে নৌ র্যালির উদ্বোধন করেন বানিজ্য মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদ প্রশাসক সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপতি জহিরুল হক (ভিপি জহির), সাবেক পৌর মেয়র হাফিজুর রহমান মোল্লা কচি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর ডিগ্রি কলেজের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি এবিএম মমিনুল হক।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল বলেন, নদী বাঁচলে দেশ বাঁচবে।তাই আমাদের উচিত জনগনকে সাথে নিয়ে নদীর দখল-দূষণ দূর করা। সারা দেশে নদী ও পরিবেশ সুরক্ষায় সরকারও বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। তিনি আরো বলেন, নদী সুরক্ষায় তরী বাংলাদেশ এর এই সামাজিক আন্দোলনে সবসময়ই পূর্ণ সমর্থন ও সহযোগিতা থাকবে। জেলা পরিষদ প্রশাসক সিরাজুল ইসলাম সিরাজ বলেন, আইনগত বাঁধা কাটিয়ে নদীর সকল অবৈধ দখল উচ্ছেদের উদ্যোগ নেয়া হবে।
তরী বাংলাদেশ এর আহবায়ক শামীম আহমেদ বলেন, সারা দেশে নদী দখল-দূষণ রোধ করে পিলার স্থাপন করে নদীর সীমানা নির্ধারণ করতে হবে। আজকের এই নৌ র্যালির মাধ্যমে আমরা বার্তা দিচ্ছি পুরো দেশের নদীগুলোর নাব্যতা ফিরিয়ে দিয়ে দেশের ২৪ হাজার কিলোমিটার নৌপথ সচল করার।
বর্ণাঢ্য এই নৌ র্যালীতে তরী বাংলাদেশ এর বিভিন্ন ইউনিটের সদস্যদের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক বৃন্দ।
উল্লেখ্য যে, প্রতিবছর সেপ্টেম্বর মাসের শেষ রবিবার বিশ্বব্যপী বিশ্ব নদী দিবস পালিত হয়। এবারের দিবস প্রতিপাদ্য হলো “No Forests, No Rivers, No Water, No Life” (বন নেই, নদী নেই, পানি নেই, জীবন নেই)।
পড়ুন : মানবাধিকার রক্ষায় সব এজেন্সিকে কঠোর হওয়ার আহ্বান কেসিসি প্রশাসকের


