বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মেহেরপুরে নিম্নমানের সড়ক নির্মাণসামগ্রী অপসারণের নির্দেশ

নাগরিক টেলিভিশন অনলাইন পোর্টালে “মেহেরপুরে দুই কোটি টাকার সড়ক নির্মাণে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার, ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী” শিরোনামে সংবাদ প্রকাশের পর সদর উপজেলার শোলমারি-মুচিগাড়ি ও সিংহাটি-নাড়াপোতা মাঠ এলাকার সড়ক নির্মাণকাজে ব্যবহৃত নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী অপসারণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে উন্নতমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার করে কাজ সম্পন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়।

রোববার(২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সড়কটির নির্মাণকাজ পরিদর্শন শেষে এ নির্দেশনা দেন মেহেরপুর এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী আরিফউদ্দোলা।

জানা গেছে, ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে জিআরআইডিপি প্রকল্পের আওতায় শোলমারি-মুচিগাড়ি ও সিংহাটি-নাড়াপোতা মাঠ এলাকায় ১ কোটি ৯৯ লাখ টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে সড়ক নির্মাণকাজ শুরু হয়। প্রকল্পের আওতায় শোলমারি-মুচিগাড়ি এলাকায় ১ হাজার ৩০০ মিটার এবং সিংহাটি-নাড়াপোতা মাঠ এলাকায় ৭৫০ মিটার সড়ক নির্মাণ করা হচ্ছে।

বর্তমানে সিংহাটি-নাড়াপোতা মাঠ এলাকার অংশে ডব্লিউবিএমের কাজ চলছে। কাজটির কার্যাদেশ পেয়েছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ইএমএস সলিউশনের স্বত্বাধিকারী জান্নাতুল ফেরদৌস।

তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, নির্মাণকাজে প্রকল্পের নির্ধারিত মান ও নিয়ম যথাযথভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে না।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সড়ক নির্মাণের শুরু থেকেই ডব্লিউবিএমের কাজে উন্নতমানের ইটের খোয়া ব্যবহারের পরিবর্তে আধলা, কাদা-মাটি মাখানো এবং পুরোনো ঘরের দেয়াল ভাঙা সিমেন্টযুক্ত জোড়া লাগা নিম্নমানের ইটের খোয়া ব্যবহার করা হচ্ছে। এছাড়া সাব-বেস স্তরে কাদাযুক্ত বালু ব্যবহারেরও অভিযোগ রয়েছে।

তাদের দাবি, রাস্তার প্রাথমিক কাজের সময়ও নিম্নমানের বালু ও নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছিল। অভিযোগের পর কিছু বালু সরিয়ে নেওয়া হলেও পরবর্তীতে নিম্নমানের বালু ও ইট দিয়ে কাজ সম্পন্ন করা হয়। দীর্ঘ বিরতির পর দ্বিতীয় স্তরের কাজ শুরু হলে এবারও নিম্নমানের ইটের খোয়া ব্যবহার করতে দেখা যায় বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

এ বিষয়ে মেহেরপুর এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী আরিফউদ্দোলা বলেন, সড়ক নির্মাণকাজে নিম্নমানের কোনো নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার করা হলে তা কোনোভাবেই গ্রহণ করা হবে না। পরিদর্শনের সময় যেসব নির্মাণসামগ্রী মানসম্মত পাওয়া যায়নি, সেগুলো দ্রুত অপসারণের জন্য ঠিকাদারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে প্রকল্পের নির্ধারিত স্পেসিফিকেশন ও সরকারি নিয়ম মেনে উন্নতমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার করে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কাজের মান নিশ্চিত করতে এলজিইডির পক্ষ থেকে নিয়মিত তদারকি করা হবে। নির্ধারিত মানের বাইরে গিয়ে কাজ করার প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : পানিতে ডুবে মৃত্যুঝুঁকিতে শিশুরা: নেত্রকোনায় ৮ মাসে ৮২ প্রাণহানি

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন