বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

নদীর পানির উপর ভাসছিলো নৌকা, নীচে বাধা ছিল লাশ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় নিখোঁজের ছয় দিন পর তিতাস নদী থেকে মুকবুল হোসেন গুড্ডু (৩৮) নামে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। রবিবার দুপুরের দিকে উপজেলার ছলিমাবাদ ইউনিয়নের মিরপুর এলাকায় তিতাস নদীর পানির তলদেশ থেকে নৌকার সঙ্গে লোহার এঙ্গেল ও রশি দিয়ে বাঁধা অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জ ফায়ার স্টেশনের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

মুকবুল হোসেন উপজেলার ছলিমাবাদ ইউনিয়নের মৃত মোহন মিয়া ব্যপারীর ছেলে ও পাঠামারা গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। তিনি তিতাস নদীতে বালু উত্তোলনের একটি ড্রেজার ব্যবসার অংশীদার ছিলেন।

মুকবলের পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা জানায়, গত মঙ্গলবার রাত ১০টার পর ড্রেজার থেকে নিখোঁজ হন মুকবুল। এরপর স্বজন ও স্থানীয়রা নদীসহ আশপাশের এলাকায় খোঁজাখুঁজি করেও তাঁর সন্ধান পাননি। পরে এ ঘটনায় ২২ সেপ্টেম্বর বাঞ্ছারামপুর মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়।

এদিকে একই এলাকায় রুবেল মিয়া নামে আরও একজন নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দেয়। পরে শনিবার রাত ১০টার দিকে তাঁকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। অসুস্থ অবস্থায় রুবেল মিয়াকে বাঞ্ছারামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে সেখানে তাঁকে চিকিৎসা দেওয়া হয়। রুবেল মিয়া মুকবলের ব্যবসায়িক পার্টনার ছিল।

মুকবুলের সন্ধান না পাওয়ায় পুলিশ ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেয়। পরে নারায়ণগঞ্জ নদী ফায়ার স্টেশনের ডুবুরি দল রোববার সকাল ৮টা থেকে মিরপুর এলাকায় তিতাস নদীতে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। প্রায় পাঁচ ঘণ্টা তল্লাশির পর দুপুরে দিকে নদীর পানির তলদেশে নৌকার সঙ্গে লোহার এঙ্গেল দিয়ে বাঁধা অবস্থায় মুকবুলের মরদেহের সন্ধান পান ডুবুরিরা। পরে মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরু করা হয়।

বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ইয়াসিন জানান, ‘মিরপুর এলাকায় তিতাস নদীতে একজনের মরদেহ থাকতে পারে—মডেল থানার এমন তথ্যের ভিত্তিতে সকাল ৮টা থেকে তল্লাশি শুরু করি। দুপুর দেড়টার দিকে পানির তলদেশ থেকে নৌকার সঙ্গে বাঁধা অবস্থায় মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।’

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : ঠাকুরগাঁওয়ে প্রথম বিভাগ ফুটবল লীগের জার্সির উন্মোচন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন