বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আখাউড়ায় তিতাস পাড়ে স্বস্তির হাওয়া, ভাঙা হচ্ছে পাবলিক টয়লেট

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় তিতাস নদীর পাড় ঘেঁষে নির্মিত পাবলিক টয়লেটটি ভেঙে ফেলার সিদ্ধান্ত হয়েছে। সোমবার বিকেলে পৌর প্রশাসকের কার্যালয়ে সুধীজনদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বাজার উন্নয়ন ও যানজট নিরসনসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সভাটির আয়োজন করা হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও পৌর প্রশাসক তাপসী রাবেয়া। সভায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) কফিল উদ্দিন মাহমুদ, জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল মুনসুর মিশন, আখাউড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. জয়নাল আবেদীন আব্দু, সাধারণ সম্পাদক ডা. খোরশেদ আলম, পৌর বিএনপির সভাপতি মো. সেলিম ভূঁইয়া, সাধারণ সম্পাদক মো. আক্তার খান ও জামায়াতের সেক্রেটারি মো. বোরহান উদ্দিনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় জানানো হয়, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের উদ্যোগে তিতাস নদীর পাড়ে পাবলিক টয়লেটটি নির্মাণ করা হয়েছে। টয়লেটের বর্জ্য সরাসরি নদীতে পড়ায় তিতাসের পানি দূষিত হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয় ব্যক্তিরা জানান, ওই ঘাটে প্রতিবছর দুর্গাপূজার প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হয়। টয়লেটটি নির্মাণের পর বিসর্জনের সময়ও নানা ধরনের সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। এ বিষয়ে পূজা উদ্‌যাপন পরিষদের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।

ইউএনও তাপসী রাবেয়া বলেন, নদীর মধ্যে এভাবে বর্জ্য ফেলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। বিষয়টি দেখে তিনি বিস্মিত হয়েছেন। ওই এলাকায় আরও একটি পাবলিক টয়লেট নির্মাণ করা হয়েছে। তাই নদীদূষণের কারণ হয়ে দাঁড়ানো টয়লেটটি ভেঙে ফেলতে সমস্যা নেই।

এদিকে সভায় আগে ফুটপাতে ব্যবসা করা কয়েকজন ব্যবসায়ী ইউএনওকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। নির্ধারিত জায়গায় তাঁদের বসার ব্যবস্থা করায় তাঁরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

সভায় ইউএনও জানান, সড়ক ও ফুটপাত দখল করে যাতে অটোরিকশা দাঁড়িয়ে থাকতে না পারে, সে বিষয়েও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এ জন্য সড়ক বাজার এলাকায় আগামী দুই মাস আনসার ও ভিডিপির সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : তথ্য যাচাই না করে প্রতিক্রিয়া নয়: ডিসি জাহিদ

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন