বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সৈয়দপুর ও চট্টগ্রাম রেলওয়ে প্রধানের বিরুদ্ধে সাইবার বুলিং, আইনি অ্যাকশন শুরু

​বাংলাদেশ রেলওয়েতে অসাধু উপায়ে অবৈধ ও অনৈতিক সুবিধা আদায় করতে না পেরে দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে ভুয়া ছবি বানিয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার চালাচ্ছে একটি স্বার্থান্বেষী কায়েমি মহল। এ ধরনের সাইবার অপরাধ ও অপপ্রচারের বিরুদ্ধে এবার কড়া আইনি পদক্ষেপে নেমেছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।

​সংগৃহীত তথ্য ও থানা সূত্রে জানা গেছে, ‘রেল দুর্নীতি সমগ্র বাংলাদেশ’ নামক একটি ফেসবুক পেজ থেকে এআই (AI) প্রযুক্তির সাহায্যে বানানো এডিটেড ছবি ও ভিত্তিহীন তথ্য পোস্ট করে চরম বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে। এই সাইবার বুলিং ও অপপ্রচারের শিকার হয়েছেন নীলফামারীর সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার বিভাগীয় তত্ত্বাবধায়ক (ডিএস) জনাব শাহ সুফী নুর মোহাম্মদ এবং চট্টগ্রাম পাহাড়তলীর প্রধান সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রক (সিসিএস) প্রকৌশলী বেলাল হোসেন সরকার (উভয়েই বিসিএস ক্যাডার কর্মকর্তা)। এ ছাড়া অন্যান্য দায়িত্বশীলদের নাম ও ছবি ব্যবহার করেও মনগড়া বক্তব্য সাজানো হয়েছে।

​অনুসন্ধানে জানা যায়, ই-জিপি টেন্ডার ও রেলের কেনাকাটায় অনৈতিক সুযোগ কিংবা অবৈধ সুবিধা না পেয়ে একশ্রেণীর অসাধু ঠিকাদার ও কায়েমি স্বার্থান্বেষী চক্র এই অপপ্রচারের পথ বেছে নিয়েছে। এআই দিয়ে কাল্পনিক ছবি ও পোস্ট তৈরি করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে কর্মকর্তাদের ভাবমূর্তি এবং রেলওয়ের সুনাম ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে

​এ ঘটনার প্রতিবাদে এবং অপপ্রচারকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে নীলফামারীর সৈয়দপুর থানায় ইতোমধ্যে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার বিভাগীয় প্রধানের পক্ষে অফিস সহকারী মোঃ আলী হোসেন গত ৩০ মে এই লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে অপপ্রচার চালানো ভুয়া পেজ এবং এআই জেনারেটেড পোস্টের লিঙ্ক (URL) সহ প্রমাণ জমা দিয়ে দুষ্কৃতকারীদের দ্রুত শনাক্ত ও আইনের আওতায় আনার দাবি জানানো হয়

​রেলওয়ের সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন,রেলাঙ্গনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে যে ‘ক্লিন হার্ট’ বা শুদ্ধি অভিযান শুরু হচ্ছে তাতে কোনো চাঁদাবাজ, দুর্নীতিবাজ বা অবৈধ সুবিধাভোগীকে ছাড় দেওয়া হবে না। অসৎ উদ্দেশ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে যারা সৎ কর্মকর্তাদের দমিয়ে রাখতে চায়, তাদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। রেলাঙ্গনে কোনো অপরাধী বা অপপ্রচারকারীর ঠাঁই হবে না

​রেল কর্মকর্তারা স্পষ্ট জানান, সাইবার বুলিং ও অপপ্রচারের জবাব আইনি পথেই দেওয়া হবে এবং রেলে শৃঙ্খলা ফেরাতে এই কঠোর অ্যাকশন অব্যাহত থাকবে।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : সম্পত্তির জন্য মা-বাবাকে জিম্মি ও ঘরছাড়া করার অভিযোগ ডা. ছেলে-মেয়ে ও জামাইয়ের বিরুদ্ধে

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন